দ্যা ইকোনোমিস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গাজার বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থবহ কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় একদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ক্রমেই বাড়ছে, অন্যদিকে এই স্থবিরতা বিভিন্ন ক্ষমতাধর পক্ষের স্বার্থও রক্ষা করছে। প্রতিবেদনে গাজার বাস্তবতাকে এমনভাবে বর্ণনা করা হয়েছে যেখানে এখন পুরো উপত্যকাজুড়ে অবাধে চলাফেরা করতে পারে শুধু ইঁদুর। আবর্জনার স্তূপ, ছেঁড়া তাঁবু ও ধ্বংসস্তূপের ভেতর তারা বংশবিস্তার করছে, যেখানে এখন অধিকাংশ মানুষ বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে।
অবকাঠামোর ধস ও পুনর্গঠন আটকে যাওয়া
গাজার অর্ধেকেরও বেশি এলাকা বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব এলাকায় পানি ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বহু গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামকে “দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য” বা সামরিক কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনাময় বলে উল্লেখ করে আটকে দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে মোবাইল আবাসন ইউনিট, তাঁবু, এমনকি ইঁদুর মারার বিষও।
গাজায় এখনো বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম। হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে।
ঘোষিত যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায় সাত মাস আগে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি
যুদ্ধবিরতির সঙ্গে ২০ দফার একটি পরিকল্পনাও ঘোষণা করা হয়েছিল। সেখানে জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি ছিল। পরিকল্পনায় সীমান্ত ক্রসিং খুলে দেওয়া, প্রতিদিন অন্তত ৬০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি এবং মিশর সীমান্ত দিয়ে স্বাভাবিক যাতায়াত পুনরায় চালুর কথাও বলা হয়েছিল।
এছাড়া বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন এবং “গাজা ন্যাশনাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিটি” নামে নতুন একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট প্রশাসনের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থার প্রস্তাবও ছিল।
তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগের চেয়ে অনেক বেশি কেবল আশাবাদী প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ ছিল। দীর্ঘস্থায়ী স্থবিরতা এখন বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে, যা ক্ষমতাসীন বিভিন্ন পক্ষের জন্য সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে।
ক্ষমতার রাজনীতিতে স্থবিরতা
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল গাজার ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করছে। এমনকি কিছু ইসরায়েলি কর্মকর্তা ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতিকে জনগণকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার একটি কৌশল হিসেবেও দেখছেন। অন্যদিকে হামাস সীমিত ভূখণ্ডে হলেও তাদের অবশিষ্ট কর্তৃত্ব ধরে রাখার চেষ্টা করছে। সীমিত ত্রাণ প্রবাহের সুযোগে তারা জ্বালানি ও মোটর অয়েলের দাম বাড়িয়েছে, যাতে কর্মীদের বেতন দেওয়ার মতো আয় নিশ্চিত করা যায়। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস নিজের কর্তৃত্ব ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় রয়েছেন এবং গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
এদিকে ট্রাম্প এবং তথাকথিত শান্তি পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে ব্যস্ত থাকায় ইসরায়েলের ওপর চাপ প্রয়োগে অনাগ্রহী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নেতৃত্বের অচলাবস্থা ও বাইরের নিয়ন্ত্রণ
প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজার পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাওয়ার কথা ছিল “গাজা ন্যাশনাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিটি”-র সদস্যদের। কিন্তু তারা এখনো গাজায় না গিয়ে কায়রোতেই অবস্থান করছেন। এদের অনেকেই অভিজ্ঞ পেশাজীবী, যারা জানুয়ারিতে নিয়োগ পাওয়ার পরপরই গাজায় প্রবেশের আশা করেছিলেন। কিন্তু এর পরিবর্তে তাদের গতিবিধি ও যোগাযোগ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন নিকোলাই ম্লাদেনভ, যিনি বুলগেরিয়ার প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং বর্তমানে গাজার জন্য পরিষদের “উচ্চ প্রতিনিধি” হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কমিটির কার্যক্রমও প্রায় নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। তাদের ওয়েবসাইট এখনো অপরিবর্তিত এবং সেখানে পুরোনো মৌসুমি শুভেচ্ছাবার্তাই দেখা যাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কমিটির এক সদস্য বলেন, “আমাদের কিছু করার মতো কোনো উপকরণ নেই। কী হচ্ছে, কেউ আমাদের জানায় না। আমরা আমাদের জনগণের সেবা করতেও পারছি না।”
নিরাপত্তা সংকট ও নিরস্ত্রীকরণ জটিলতা
পরিকল্পিত ফিলিস্তিনি বেসামরিক পুলিশ বাহিনীর জন্য ইসরায়েল মাত্র ১,০০০ সদস্য অনুমোদন দিয়েছে, যেখানে মূল পরিকল্পনায় ছিল ২৫ হাজার সদস্য। এখনো প্রশিক্ষণও শুরু হয়নি। ইসরায়েল এবং আন্তর্জাতিক পক্ষগুলোর দৃষ্টিতে হামাসের নিরস্ত্রীকরণই অগ্রগতির সবচেয়ে বড় বাধা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ম্লাদেনভ কায়রোয় হামাস নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। সেখানে তুরস্ক, কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতাকারীরাও উপস্থিত ছিলেন। হামাসকে নিরস্ত্র রাজনৈতিক সংগঠনে রূপান্তরিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে অস্ত্র ত্যাগের ঘোষণা, অস্ত্রের মজুত প্রকাশ এবং অস্ত্র হস্তান্তরের বিষয়ও রয়েছে।
তবে হামাস কঠোর কিছু শর্ত দিয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে গাজা থেকে পূর্ণ ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, ইসরায়েল-সমর্থিত বলে অভিযুক্ত সব সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিরস্ত্রীকরণ, হামাসের বেসামরিক কর্মীদের ভবিষ্যৎ প্রশাসনে অন্তর্ভুক্তি এবং ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি।
গভীর অবিশ্বাস ও অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ
প্রতিবেদনে বলা হয়, খুব কম পক্ষই বিশ্বাস করে যে ইসরায়েল সত্যিই গাজা থেকে পুরোপুরি সরে যাবে। হামাস কর্মকর্তাদের অভিযোগ, তারা যত ছাড় দিচ্ছে, ততই নতুন নতুন শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। অথচ মোবাইল আবাসন ইউনিট প্রবেশের অনুমতি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনের মতো প্রাথমিক প্রতিশ্রুতিও এখনো বাস্তবায়ন করেনি ইসরায়েল। এমনকি রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিরস্ত্রীকরণে রাজি হলেও, গাজায় সক্রিয় হামাসের সামরিক শাখা “কাসসাম ব্রিগেড” তা মেনে চলবে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।
ইসরায়েলের দাবি, তারা প্রায় ১০ হাজার যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, এখনো প্রায় ২০ হাজার যোদ্ধা সক্রিয় রয়েছে। হামাসের ভেতরেও আশঙ্কা রয়েছে, নিরস্ত্রীকরণ হলে তারা অভ্যন্তরীণ ফিলিস্তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রতিশোধের মুখে পড়তে পারে।
কঠোর অবস্থানেই অনড় হামাস
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাস এখনো তাদের সাবেক নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের কঠোর নীতিকেই অনুসরণ করছে। ৭ অক্টোবরের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও তাকে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন নির্বাচন আয়োজনের পরিবর্তে দলটি অভ্যন্তরীণ পরামর্শের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করেছে, যেখানে সংস্কারের চেয়ে ধারাবাহিকতাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি দেইর আল-বালাহ-এ অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। তবুও হামাস-ঘনিষ্ঠ প্রার্থীরাই নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। স্থানীয় এক পর্যবেক্ষক বলেন, “সিনওয়ারের ছায়া এখনো প্রভাব বিস্তার করছে। যুদ্ধ তাদের বদলাতে পারেনি।”
আলোচনার মধ্যেও অচলাবস্থা
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কায়রোয় সাম্প্রতিক আলোচনা হয়তো সামনে এগোনোর একটি পথ তৈরি করতে পারে। সেখানে ম্লাদেনভ নতুন সময়সূচি ও কাঠামোর প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত প্রতিবেদনের উপসংহার হলো, মধ্যপ্রাচ্যে একটি বিষয় বারবারই দেখা যায় যারা কোনো ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয়, তারা মানবিক মূল্য যত বড়ই হোক না কেন, সেই নিয়ন্ত্রণ সহজে ছাড়তে চায় না। ফলে গাজার সাধারণ মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের মাঝেই আটকে আছে। এমন এক বাস্তবতায় তারা বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে, যেখানে ধ্বংসই প্রতিদিনের জীবনের অংশ হয়ে গেছে এবং ন্যূনতম নিরাপত্তাও অনুপস্থিত।
কৃতজ্ঞতায় : Sunnah file web
তারিখ : ২ মে, ২০২৬
মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক
বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল
ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই
গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী
পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা
গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম
আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক
সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান
"সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা
বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ
দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির
হালাল এওয়ারনেস নেটওয়ার্কের উদ্যেগে রোড ট্রিপ ও নিউক্যাসলে দিনব্যাপী হালাল স্ট্রিট ক্যাম্পেইন সমাপ্ত
গাজায় গণহত্যার নতুন কৌশল: নিভৃতে চলছে নিধন
আল-আকসা দখল হলে আমাদের করণীয় কী ?
মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক
বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল
ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই
গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী
পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা
গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম
আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক
সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান
"সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা
বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ
দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির
হালাল এওয়ারনেস নেটওয়ার্কের উদ্যেগে রোড ট্রিপ ও নিউক্যাসলে দিনব্যাপী হালাল স্ট্রিট ক্যাম্পেইন সমাপ্ত
গাজায় গণহত্যার নতুন কৌশল: নিভৃতে চলছে নিধন
আল-আকসা দখল হলে আমাদের করণীয় কী ?