ইবনু উমর থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল ﷺ বলেছেন: “হে মানুষ! তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা করো। নিশ্চয়ই আমি প্রতিদিন একশবার তাঁর কাছে তওবা করি।” (মুসলিম)
তওবা শব্দটি একটি আরবি কুরআনিক পরিভাষা। এর অর্থ হলো ফিরে আসা বা প্রত্যাবর্তন। কুরআন ও হাদিস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তওবা বলতে এমন কাজকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহ যেসব কাজ নিষিদ্ধ করেছেন সেগুলো ছেড়ে দিয়ে তিনি যেসব কাজের নির্দেশ দিয়েছেন সেগুলোর দিকে ফিরে আসে।
ইসলাম ধর্মে তওবার গুরুত্ব অপরিসীম। একজন ঈমানদার মুসলমানের জন্য নিজের জীবনকে সংশোধন করা এবং নিজের ভুল ও অন্যায়গুলো শুধরে নেওয়ার অন্যতম বড় সুযোগ হলো তওবা।
সূরা আত তাহরিমের ৮ নম্বর আয়াতে তওবা শব্দটির সঙ্গে নাসুহ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। নাসুহ শব্দের অর্থ পবিত্র ও আন্তরিক। অর্থাৎ এমন তওবা, যার মধ্যে কোনো ভান, কপটতা বা লোকদেখানো মনোভাব নেই।
তবে কখনো কখনো মানুষ নিজের ব্যাপারে লজ্জিত ও হতাশ হয়ে পড়ে। কারণ সে আল্লাহর কাছে তওবা করার পরও নিজের প্রতিশ্রুতি ধরে রাখতে পারে না এবং আবার পাপের কাজে ফিরে যায়। বিষয়টি বোঝার জন্য ইবনু রজব আল হাম্বলি বর্ণিত একটি ঘটনা দেখা যাক।
হাসানকে, যিনি ছিলেন নবীজির নাতি, জিজ্ঞেস করা হলো, “কোনো বান্দা কি পাপ করার পর তওবা করে, এরপর আবার পাপ করে এবং আবারও তওবা করতে থাকায় নিজের ব্যাপারে লজ্জিত হওয়া উচিত নয়?”
হাসান বললেন, “এটাই তো শয়তান ঠিক যেটা চায়! কখনো তওবা করা বন্ধ করো না।”
একই প্রসঙ্গে ইবনু কাইয়্যিম আল জাওযিয়্যাহর একটি বক্তব্য বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, একাধিক ব্যক্তি আমাকে বলেছেন, “আমি যখন আল্লাহর কাছে তওবা করি এবং নেক আমল করি, তখন আমার রিজিক সংকুচিত হয়ে যায় এবং জীবনে অভাব ও কষ্ট নেমে আসে।
কিন্তু যখন আমি আবার তাঁর অবাধ্যতায় ফিরে যাই এবং নিজের প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ করতে থাকি, তখন রিজিক, স্বস্তি এবং অন্যান্য সুযোগ আমার কাছে ফিরে আসে।” তখন আমি তাদের কয়েকজনকে জবাব দিয়েছিলাম: “এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা। তিনি দেখতে চান, তাঁর কাছে আশ্রয় নেওয়া, তাঁর ডাকে সাড়া দেওয়া, তাঁর আনুগত্যে আত্মসমর্পণ করা এবং তাঁর পক্ষ থেকে তোমার জন্য নির্ধারিত কষ্ট ও বিপদের ব্যাপারে পরম ন্যায়বিচার ও প্রজ্ঞার ওপর ধৈর্য ধারণ করার ক্ষেত্রে তুমি সত্যবাদী নাকি মিথ্যাবাদী। এর মাধ্যমে তিনি দেখতে চান, শেষ পর্যন্ত তোমার পরিণতি কল্যাণময় হয় কি না। নাকি তুমি সত্যবাদী নও এবং আবারও আগের মন্দ কাজের দিকে ফিরে যাও।”
তাই তুমি যত গুরুতর এবং যত বেশি পাপই করে থাকো না কেন, আল্লাহর কাছে তওবা করে ফিরে আসতে কখনো দ্বিধা করো না। তুমি যখন পাপ করছিলে, তখন যিনি তোমার পাপ গোপন রেখেছেন, তাঁর কাছে ফিরে এলে তিনি কখনো তোমাকে অপমানিত করবেন না।
জালালুদ্দিন রুমির দুটি কবিতার পঙক্তিতে তওবার এই আকুলতাটি অনুভব করার চেষ্টা করা যাক-
“এসো, যদিও তুমি হাজারবার তোমার অঙ্গীকার ভেঙে থাকো,
এসো, আবারও এসো। আমাদের কাফেলা হতাশার কাফেলা নয়।”
হ্যাঁ, নিঃসন্দেহে আল্লাহর একজন সত্যিকারের বান্দা আল্লাহর বিধান ও নির্দেশ মেনে চলতে নিজের ব্যর্থতার কারণে কখনো হতাশ হয়ে পড়বে না। বরং তার উচিত, সে যে মানুষ হতে চায়, সেই মানুষ হওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা। এমন একজন মানুষ, যে পরম দয়ালু ও পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর ভালোবাসা ও সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে।
তওবার পাঁচটি শর্ত
কিন্তু আল্লাহর কাছে তওবা করে ফিরে আসার অর্থ কী? তাঁর কাছে ক্ষমা চাওয়ার অর্থই বা কী? শুধু কি মুখে বলা, “হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন!” অথবা “আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই!”? ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, কোনো মুসলমান তওবা করলে তা আন্তরিক ও সত্য হলে আল্লাহ সাধারণত তা কবুল করেন। অন্যদিকে, কেউ যদি তার অতীতের অন্যায় কাজের জন্য অনুতপ্ত না হয় অথবা সেসব অন্যায় ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছা না রাখে, তাহলে শুধু মুখে তওবার ঘোষণা দেওয়া তওবার প্রতি প্রকাশ্য উপহাসের শামিল। শুধু মুখে তওবা করলেই প্রকৃত তওবা হয় না। অবশ্যই সত্যিকারের তওবার কিছু শর্ত রয়েছে।
উপরে যেমন বলা হয়েছে, বিষয়টি এতটা সহজ নয়। কারণ ক্ষমা চাওয়া শুধু জিহ্বার একটি কাজ নয়। বরং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হলে একটি নির্দিষ্ট মানসিকতা ও আচরণ অনুসরণ করতে হয়। নিজের পাপের জন্য তওবা করাই আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার প্রথম ধাপ।
তওবা করার অর্থ হলো আল্লাহর কাছে ফিরে আসা এবং জীবনের বাকি সময় তাঁর আনুগত্য করার দৃঢ় সংকল্প করা। তওবা সঠিক ও গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য পাঁচটি শর্ত পূরণ করতে হয়। সেগুলো হলো:
১. আল্লাহর জন্য আন্তরিক হওয়া
প্রতিটি ইবাদতের ক্ষেত্রে আন্তরিকতা একটি অপরিহার্য শর্ত। মহান আল্লাহ বলেন:
“তাদের তো এ ছাড়া কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি যে, তারা একনিষ্ঠভাবে তাঁরই ইবাদত করবে এবং দ্বীনকে তাঁর জন্য একান্তভাবে নিবেদিত রাখবে।” (সূরা আল বাইয়্যিনাহ, ৯৮:৫)
২. অতীতের পাপ ও অন্যায় কাজের জন্য অনুতপ্ত হওয়া
এর অর্থ হলো, মানুষ নিজের কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর সামনে লজ্জিত ও অনুতপ্ত হবে। কারণ সে এমন কাজ করেছে, যা আল্লাহ তাকে করতে নিষেধ করেছিলেন এবং এমন দায়িত্ব অবহেলা করেছে, যা পালন করার নির্দেশ তাকে দেওয়া হয়েছিল।
৩. পাপের কাজ ছেড়ে দেওয়া
যদি কোনো পাপ এমন কোনো ধর্মীয় দায়িত্ব অবহেলার সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, যেমন নামাজ আদায় না করা বা জাকাত পরিশোধ না করা, তাহলে তা দ্রুত সংশোধন করতে হবে।
আর যদি কোনো পাপ মানুষের অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেই অধিকার থেকে নিজেকে মুক্ত করতে হবে। যদি কারও সম্পদ আত্মসাৎ করা হয়ে থাকে, তাহলে তা তার প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দিতে হবে। আর যদি কারও বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া বা গীবত করা হয়ে থাকে, তাহলে যার প্রতি অন্যায় করা হয়েছে তার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
৪. ভবিষ্যতে এসব পাপ থেকে দূরে থাকার দৃঢ় সংকল্প করা
এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কেউ যদি তওবা করার সময়ই সুযোগ পেলে আবার আগের পাপে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে, তাহলে তার তওবাকে সত্যিকারের বা আন্তরিক তওবা হিসেবে গণ্য করা হবে না।
তবে কেউ যদি সত্যিকার অর্থে তওবা করার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু পরে নিজের দুর্বলতার কাছে পরাজিত হয়ে আবার পাপে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার আগের তওবা বাতিল হয়ে যাবে না। তবে তাকে আবার তওবা করতে হবে এবং নতুন করে করা সেই অন্যায়ের জন্যও তওবা করতে হবে।
৫. তওবা করার সুযোগ থাকা অবস্থায় তওবা করা
তওবা করার সুযোগ সবসময় থাকে না। দুটি অবস্থায় তওবা আর গ্রহণযোগ্য থাকে না।
ক. মৃত্যুর সময়
মৃত্যু এসে যাওয়ার সময় করা তওবা আর কোনো কাজে আসে না। আল্লাহ বলেন: “তবে তাদের তওবা গ্রহণযোগ্য নয়, যারা পাপের কাজ করতেই থাকে। অবশেষে যখন তাদের কারও মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন সে বলে, ‘এখন আমি তওবা করছি।’ আর যারা অবিশ্বাসী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তাদের তওবাও গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের জন্য আমি প্রস্তুত করে রেখেছি যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।” (সূরা আন নিসা, ৪:১৮)
এ ব্যাপারে ফেরাউনের ঘটনা অত্যন্ত স্পষ্ট। যখন সমুদ্রের মাঝখানে তার মৃত্যু ঘনিয়ে এসেছিল, তখন সে বলেছিল:
“আমি ঈমান আনলাম যে, ইসরাইলের সন্তানেরা যার ওপর ঈমান এনেছে, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।”
কিন্তু তখন তাকে জবাব দেওয়া হয়েছিল:
“এখন তুমি ঈমান আনছ? অথচ এর আগে তুমি অবাধ্যতা করেছ এবং তুমি ছিলে বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের একজন।”
নিশ্চয়ই ফেরাউনের শেষ মুহূর্তের ঈমান তাকে কোনোভাবেই উপকার করতে পারেনি।
খ. সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়ার পর
যখন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হবে, তখন তওবার সুযোগ শেষ হয়ে যাবে এবং এরপর আল্লাহ কারও তওবা গ্রহণ করবেন না। সেদিন পৃথিবীর সব মানুষ আল্লাহ, সৃষ্টিকর্তার প্রতি ঈমান ঘোষণা করবে। কিন্তু তাদের এই আকস্মিক ঈমান তাদের কোনো উপকারে আসবে না। কারণ এর আগে তারা তাঁর প্রতি ঈমান আনেনি।
মহিমান্বিত কুরআনে আল্লাহ বলেন: “যেদিন তোমার রবের কিছু মহান নিদর্শন উপস্থিত হবে, সেদিন এমন কোনো ব্যক্তির ঈমান তার কোনো উপকারে আসবে না, যে এর আগে ঈমান আনেনি অথবা যে তার ঈমানের মাধ্যমে কোনো কল্যাণ অর্জন করেনি।” (সূরা আল আনআম, ৬:১৫৮)
আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল ﷺ বলেছেন: “কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হয়। মানুষ যখন তা দেখতে পাবে, তখন পৃথিবীর ওপর যারা থাকবে সবাই ঈমান আনবে। কিন্তু তখন এমন কোনো ব্যক্তির ঈমান তার উপকারে আসবে না, যে এর আগে ঈমান আনেনি।” (বুখারি)
এগুলো হলো তওবা সঠিক ও আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার শর্ত।
শেষ কথা
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, কুরআন, সুন্নাহ এবং মুসলিম আলেমদের ঐকমত্য থেকে তওবার আবশ্যকতার বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। আল্লাহ বলেন: “হে মুমিনগণ! তোমরা সবাই আল্লাহর কাছে তওবা করো, যাতে তোমরা সফল হতে পারো।” (সূরা আন নূর, ২৪:৩১)
“তোমরা সবাই তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও। তারপর তাঁর কাছে তওবা করো।” (সূরা হুদ, ১১:৩)
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে আন্তরিক ও বিশুদ্ধ তওবা করো।” (সূরা আত তাহরিম, ৬৬:৮)
আবু হুরায়রা বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল ﷺ-কে বলতে শুনেছি:
“আল্লাহর কসম! আমি প্রতিদিন সত্তরেরও বেশি বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছে তওবা করি।” (বুখারি)
এটাই ছিল নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর অবস্থা, যাঁর সব গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। তাহলে আমাদের মতো গুনাহগার বান্দাদের কী অবস্থা হওয়া উচিত, যারা বারবার করা পাপের কারণে সৃষ্ট অন্ধকারে ভুগছি?
সবশেষে বলা যায়, তওবা একটি দ্বিমুখী প্রক্রিয়া। প্রথমে একজন মানুষকে নিজের পাপ ও ভুলগুলো চিনতে হবে এবং সেগুলো পরিত্যাগ করতে হবে। এরপর আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি তাদের ক্ষমা করবেন। ইসলাম মুসলমানদের নিজেদের ভুল ও ত্রুটিগুলো উপলব্ধি করতে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে উৎসাহিত করে। নিজের গুনাহের ক্ষমা এমন কোনো বিষয় নয়, যা আপনাআপনি পাওয়া যায়। বরং আন্তরিকতা ও সত্যনিষ্ঠার সঙ্গে তা চাইতে হয়। নিজের পাপের ব্যাপারে উদাসীন হয়ে পড়া অত্যন্ত বিপজ্জনক।
নবী মুহাম্মদ ﷺ বলেছেন: “একজন মুমিন তার গুনাহকে এমনভাবে দেখে, যেন সে একটি পাহাড়ের নিচে বসে আছে এবং আশঙ্কা করছে যে পাহাড়টি যেকোনো সময় তার ওপর ধসে পড়তে পারে। পক্ষান্তরে একজন পাপাচারী ব্যক্তি তার গুনাহকে এমনভাবে দেখে, যেন একটি মাছি তার নাকের ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে। সে এভাবে হাত নেড়ে সেটিকে সরিয়ে দেয়।” বর্ণনাকারী আবু শিহাব এই বিষয়টি বোঝাতে তাঁর নাকের ওপর দিয়ে হাত নেড়েছিলেন। (বুখারি)
তারিখ: ২৬ জুলাই ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: SunnahFiles Web
ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত
হিজাব পরলেই জরিমানা: ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের নতুন পরিকল্পনার ছক
২৫ বছরের প্রতারণা: 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ' দিয়ে যেভাবে মুসলিমদের কলঙ্কিত করেছে পশ্চিমারা
সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে কুরআন বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
প্রাণীদের প্রতি আচরণে মহানবী ﷺ-এর আদর্শ
পশ্চিমা বিশ্বে নিজেদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে ইসলামবিদ্বেষকে ব্যবহার করছে ইসরায়েল
লন্ডনে তালিমুল কুরআন ইউকে মসজিদের ১৩তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
গাজায় মৃতদের দাফনের জন্যও ফুরিয়ে আসছে জায়গা
কেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব?
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মের সময় কী কী নিদর্শন প্রকাশ পেয়েছিল?
যেসব বৈশিষ্ট্য ইসলামকে অনন্য করে তুলেছে
রাসুল ﷺ ও তাঁর পরিবার মাসের পর মাস 'যে দুই কালো খাবারে' জীবনধারণ করেছিলেন
মেলবোর্নে মসজিদের কাছে মুসলিম বাবার ওপর হামলা, অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ
ফ্রান্সে মসজিদ বন্ধ: মুসলিম সমাজে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের আতঙ্ক
স্কুলে যাওয়ার আগে শিশুকে টয়লেট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিতে হবে: যুক্তরাজ্যে অভিভাবকদের জন্যও টয়লেট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা
ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত
হিজাব পরলেই জরিমানা: ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের নতুন পরিকল্পনার ছক
২৫ বছরের প্রতারণা: 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ' দিয়ে যেভাবে মুসলিমদের কলঙ্কিত করেছে পশ্চিমারা
সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে কুরআন বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
প্রাণীদের প্রতি আচরণে মহানবী ﷺ-এর আদর্শ
পশ্চিমা বিশ্বে নিজেদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে ইসলামবিদ্বেষকে ব্যবহার করছে ইসরায়েল
লন্ডনে তালিমুল কুরআন ইউকে মসজিদের ১৩তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
গাজায় মৃতদের দাফনের জন্যও ফুরিয়ে আসছে জায়গা
কেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব?
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মের সময় কী কী নিদর্শন প্রকাশ পেয়েছিল?
যেসব বৈশিষ্ট্য ইসলামকে অনন্য করে তুলেছে
রাসুল ﷺ ও তাঁর পরিবার মাসের পর মাস 'যে দুই কালো খাবারে' জীবনধারণ করেছিলেন
মেলবোর্নে মসজিদের কাছে মুসলিম বাবার ওপর হামলা, অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ
ফ্রান্সে মসজিদ বন্ধ: মুসলিম সমাজে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের আতঙ্ক
স্কুলে যাওয়ার আগে শিশুকে টয়লেট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিতে হবে: যুক্তরাজ্যে অভিভাবকদের জন্যও টয়লেট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা