ইসলাম অনন্য, কারণ এটি শুধু কিছু বিশ্বাস, ইবাদত কিংবা সাংস্কৃতিক রীতিনীতির সমষ্টি নয়। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে মানবজাতিকে দেওয়া একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যা ঈমান, ইবাদত, চরিত্র, পরিবার, সমাজ, আইন, নৈতিকতা এবং পরকালসহ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষকে পথনির্দেশ দেয়।
একজন মুসলিম তার ধর্মকে জীবন থেকে আলাদা করে দেখে না। ইসলাম একজন মানুষ কীভাবে নামাজ পড়বে, কীভাবে উপার্জন করবে, কীভাবে কথা বলবে, কীভাবে খাবার গ্রহণ করবে, কীভাবে ব্যবসা করবে, কীভাবে বিয়ে করবে, কীভাবে সন্তানদের লালন-পালন করবে, প্রতিবেশীদের সঙ্গে কেমন আচরণ করবে, দরিদ্রদের কীভাবে সাহায্য করবে এবং জীবনের উদ্দেশ্য কী, তা নির্ধারণে দিকনির্দেশনা দেয়।
এটি ইসলামের অনন্যতার অন্যতম স্পষ্ট নিদর্শন। ইসলাম শুধু মসজিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি নির্দিষ্ট কোনো দিন, ঋতু কিংবা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্যেও আবদ্ধ নয়। জীবনের প্রতিটি পর্যায় এবং মানুষের প্রতিটি অবস্থার জন্য ইসলাম পথনির্দেশ প্রদান করে।
আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের নাম ইসলাম
ইসলামের আরেকটি অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো, এর নাম কোনো ব্যক্তি, গোত্র, জাতি, অঞ্চল কিংবা সংস্কৃতির নামে রাখা হয়নি। ইসলামের নাম মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামে নয়। এটি আরব, আরব জাতি কিংবা কোনো বিশেষ নৃগোষ্ঠীর নামেও নয়। ইসলামের নাম এসেছে একমাত্র সত্য উপাস্য আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের ধারণা থেকে।
ইসলাম অর্থ ঈমান, আনুগত্য ও আন্তরিকতার সঙ্গে আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করা। আর মুসলিম হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি আল্লাহর ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণ করেন এবং নিজের প্রবৃত্তি, সামাজিক চাপ ও পার্থিব আকাঙ্ক্ষার ওপর আল্লাহর নির্দেশকে প্রাধান্য দেন।
এ কারণেই ইসলাম সর্বজনীন। এটি কোনো একটি জাতি বা সভ্যতার ধর্ম নয়। বরং যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, একমাত্র তাঁরই ইবাদত করে এবং তাঁর নির্দেশনা অনুসরণ করে, ইসলাম তারই ধর্ম।
সব নবীর একই দাওয়াত
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাওয়াত কোনো নতুন উদ্ভাবন ছিল না। বরং তাঁর দাওয়াত ছিল তাঁর পূর্ববর্তী সব নবীর নিয়ে আসা একই বার্তার সর্বশেষ ও পূর্ণাঙ্গ নবায়ন।
মানুষ যখন কুফরি, মূর্তিপূজা, অনাচার কিংবা নৈতিক বিভ্রান্তির মধ্যে চলে গেছে, তখন আল্লাহ ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে মানুষকে সত্যের পথে ফিরিয়ে আনার জন্য নবী ও রাসুল পাঠিয়েছেন। তাদের সবার দাওয়াতের মূল ভিত্তি ছিল একই।
আল্লাহ এক। তাই একমাত্র তাঁরই ইবাদত করো। এটাই ছিল আদম আলাইহিস সালাম, নূহ আলাইহিস সালাম, ইবরাহিম আলাইহিস সালাম, মূসা আলাইহিস সালাম, ঈসা আলাইহিস সালাম এবং তাঁদের আগে ও পরে আগত সব নবীর দাওয়াত। তাঁরা মানুষকে মিথ্যা উপাস্যদের থেকে দূরে সরে সৃষ্টিকর্তার একনিষ্ঠ ইবাদতের দিকে আহ্বান করেছেন।
মানুষ সহজেই ভুলে যায়। ঐশী পথনির্দেশনা ছাড়া মানুষ নিজের প্রবৃত্তি, সংস্কৃতি, অহংকার, ক্ষমতা কিংবা বংশপরম্পরায় চলে আসা ভুলের অনুসরণ করতে থাকে। তাই আল্লাহ তাঁর রহমত হিসেবে মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিতে এবং সঠিক পথ দেখাতে নবী ও রাসুল পাঠিয়েছেন।
সর্বশেষ ঐশী শরিয়ত
তাওহিদ বা আল্লাহর একত্বের মূল বার্তা সব সময় একই থাকলেও বিভিন্ন জাতির জন্য দেওয়া বিস্তারিত বিধিবিধান তাদের সময়, স্থান ও পরিস্থিতি অনুযায়ী ভিন্ন ছিল। আল্লাহ তাঁর প্রজ্ঞা অনুযায়ী বিভিন্ন নবীর মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শরিয়ত প্রেরণ করেছেন। প্রত্যেক নতুন নবী তাঁর পূর্ববর্তী নবীর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং তাঁর নিজ জাতির জন্য উপযোগী নির্দেশনা নিয়ে এসেছেন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে অবতীর্ণ শরিয়ত কিয়ামত পর্যন্ত সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বশেষ ঐশী বিধান।
তাঁর পরে আর কোনো নবী আসবেন না এবং কুরআনের পরিবর্তে নতুন কোনো ওহিও আসবে না। এ কারণেই ইসলাম সর্বশেষ দ্বীন। এটি পূর্ববর্তী সব ঐশী বার্তার সত্যতাকে পূর্ণতা দিয়েছে এবং পৃথিবীর শেষ সময় পর্যন্ত মানবজাতির প্রয়োজনীয় হেদায়াত সংরক্ষণ করেছে।
ইসলাম মানবজাতির কল্যাণ করে
ইসলাম মানুষকে দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জীবনের জন্য কল্যাণকর বিষয়ের দিকে আহ্বান করে। ইসলাম ন্যায়বিচার, দয়া, সততা, শালীনতা, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা, দান-সদকা, ক্ষমা, ধৈর্য এবং উত্তম চরিত্রের নির্দেশ দেয়।
অন্যদিকে জুলুম, অহংকার, মিথ্যা, চুরি, শোষণ, অনৈতিকতা এবং মানুষের ক্ষতি করা থেকে নিষেধ করে। ইসলাম শুধু মুসলমানদের সঙ্গে ভালো আচরণের শিক্ষা দেয় না। বরং সব মানুষের সঙ্গে ন্যায়বিচার ও উত্তম চরিত্রের আচরণ করার নির্দেশ দেয়।
আল্লাহর বিধানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। সে ধনী হোক বা দরিদ্র, শাসক হোক বা সাধারণ নাগরিক, মুমিন হোক বা অমুসলিম। আমাদের আনুগত্যে আল্লাহর কোনো লাভ নেই। সমগ্র মানবজাতি যদি আল্লাহর ইবাদত করত, তবুও তাঁর মহত্ত্ব একটুও বৃদ্ধি পেত না। আবার সমগ্র মানবজাতি যদি তাঁকে অস্বীকার করত, তবুও তাঁর মহত্ত্ব একটুও কমত না।
ইসলামের উপকার আমাদের কাছেই ফিরে আসে। আমরা যখন আল্লাহর আনুগত্য করি, তখন আমাদের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করি, পরিবারকে সুরক্ষিত করি, সমাজকে শক্তিশালী করি এবং চিরস্থায়ী সফলতার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করি।
আর আমরা যখন আল্লাহর অবাধ্য হই, তখন সবার আগে নিজেদেরই ক্ষতি করি।
আল্লাহর রহমতের মাধ্যমেই মুক্তি
ইসলাম শিক্ষা দেয়, চূড়ান্ত মুক্তি একমাত্র আল্লাহর রহমত, হেদায়াত এবং তাঁর সন্তুষ্টির মাধ্যমেই অর্জিত হয়। বংশ, জাতি, মর্যাদা, সম্পদ কিংবা শুধু মুখের দাবি কাউকে মুক্তি দিতে পারে না। সফলতার পথ হলো আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা, তাঁর রাসুলের অনুসরণ করা, সৎকাজ করা এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা।
কুরআন বারবার শিক্ষা দেয়, আল্লাহ কারও প্রতি বিন্দু পরিমাণও জুলুম করেন না। যে ব্যক্তি ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে, সে আল্লাহর কাছে তার প্রতিদান পাবে।
আর যে সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে এবং মন্দ কাজে অটল থাকে, তাকে নিজের সিদ্ধান্তের পরিণতি ভোগ করতে হবে। এখানে ইসলামের একটি শক্তিশালী নৈতিক ভারসাম্য রয়েছে। ইসলাম রহমতের ধর্ম, কিন্তু আইনহীনতার ধর্ম নয়। এটি আশার ধর্ম, কিন্তু মিথ্যা নিরাপত্তার ধর্ম নয়। প্রত্যেক মানুষকে আল্লাহর সামনে জবাবদিহি করতে হবে।
ইসলাম সবার জন্য
ইসলাম একটি সর্বজনীন ধর্ম। এটি কোনো জাতি, জাতীয়তা, ভাষা, শ্রেণি কিংবা সংস্কৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইসলাম নারী ও পুরুষ, ধনী ও দরিদ্র, শিক্ষিত ও অশিক্ষিত, তরুণ ও বৃদ্ধ, পূর্ব ও পশ্চিমের সব মানুষের জন্য। মুসলিম হতে হলে কোনো নির্দিষ্ট জাতি কিংবা সামাজিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই। সব মানুষ আদম ও হাওয়া আলাইহিমাস সালামের সন্তান। কোনো জাতি অন্য জাতির চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয়।
আল্লাহর কাছে সেই ব্যক্তিই সর্বাধিক মর্যাদাবান, যার তাকওয়া সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ যে ব্যক্তি আল্লাহ সম্পর্কে গভীর সচেতনতা, পরহেজগারি ও আনুগত্যের অধিকারী। এ কারণেই ইসলাম প্রকৃত মানবিক সমতার ধর্ম। ইসলাম মানুষের মধ্যে বিভিন্নতা স্বীকার করে, কিন্তু সেই পার্থক্যকে অহংকার, জুলুম কিংবা আত্মিক শ্রেষ্ঠত্বের ভিত্তি হতে দেয় না।
অন্য ধর্ম নয়, ইসলাম কেন?
অনেক মানুষ আন্তরিকভাবে প্রশ্ন করেন, ইহুদি ধর্ম কিংবা খ্রিস্টধর্ম নয়, ইসলাম কেন? এর উত্তর শুরু হয় নবুয়তের বিষয় থেকে। মুসলমানরা আল্লাহর সব নবীর প্রতি ঈমান রাখেন। এর মধ্যে ইবরাহিম, মূসা ও ঈসা আলাইহিমুস সালামও রয়েছেন। তাঁরা ছিলেন সত্য নবী ও রাসুল। তাঁরা মানুষকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের দিকে আহ্বান করেছেন।
তবে পূর্ববর্তী প্রত্যেক নবীকে নির্দিষ্ট একটি জাতি ও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তী নবীরা নতুন করে হেদায়াত নিয়ে এসেছেন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বশেষ রাসুল হিসেবে পাঠানো হয়েছে।
তাঁর দাওয়াত কোনো নির্দিষ্ট গোত্র, জাতি কিংবা যুগের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তাঁর পরে আর কোনো নবী আসবেন না এবং তাঁর মাধ্যমে অবতীর্ণ শরিয়তের পরিবর্তে নতুন কোনো ঐশী বিধান আসবে না।
কুরআন হলো সর্বশেষ সংরক্ষিত ঐশী কিতাব এবং মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ কুরআনের নির্দেশনা কীভাবে জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে, তার বাস্তব দিকনির্দেশনা দেয়। এ কারণেই ইসলাম পূর্ণাঙ্গ ও সর্বশেষ দ্বীন।
ইসলাম শান্তি ও জীবনের উদ্দেশ্য এনে দেয়
ইসলামের মাধ্যমে একজন মানুষ আল্লাহর সঙ্গে শান্তি, নিজের অন্তরে প্রশান্তি, অন্য মানুষের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক এবং সৃষ্টিজগতের সঙ্গে সামঞ্জস্য খুঁজে পায়। ইসলাম শিক্ষা দেয়, জীবন অর্থহীন নয়। আমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে আল্লাহকে চেনার জন্য, তাঁর ইবাদত করার জন্য এবং তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবনযাপন করার জন্য। এই পৃথিবী স্থায়ী বসবাসের স্থান নয়। এটি পরীক্ষার স্থান। মৃত্যু জীবনের সমাপ্তি নয়। বরং এটি জবাবদিহির জীবনের সূচনা। এই উপলব্ধি জীবনকে একটি উদ্দেশ্য দেয়।
একজন মুসলিম জানেন তিনি কেন পৃথিবীতে এসেছেন, কোথা থেকে এসেছেন, কীভাবে জীবনযাপন করতে হবে এবং শেষ পর্যন্ত কোথায় যেতে হবে। জীবনের এই স্পষ্ট উপলব্ধি ইসলামের অন্যতম বড় নিয়ামত।
ইসলামের সৌন্দর্য
ইসলাম অনন্য, কারণ এটি বিশ্বাস ও আমল, রহমত ও ন্যায়বিচার, ইবাদত ও দৈনন্দিন জীবন, ব্যক্তিগত সংশোধন ও সামাজিক দায়িত্বকে একসঙ্গে ধারণ করে। ইসলাম বিশুদ্ধ তাওহিদের শিক্ষা দেয়। সব নবীকে সম্মান করে। ঐশী ওহি সংরক্ষণ করে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পথনির্দেশ দেয়। এটি মানবজাতিকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের দিকে আহ্বান করে এবং মর্যাদা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির সঙ্গে জীবনযাপন করতে শেখায়।
ইসলাম মানুষের তৈরি কোনো মতাদর্শ নয়। এটি কোনো সাংস্কৃতিক পরিচয় কিংবা সাময়িক আন্দোলনও নয়। এটি মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত সর্বশেষ হেদায়াত। এর বার্তা সহজ, শক্তিশালী এবং চিরন্তন। নিজের সৃষ্টিকর্তাকে চেনো। একমাত্র তাঁরই ইবাদত করো। সৎ ও ন্যায়পরায়ণ জীবনযাপন করো। আখিরাতের জন্য প্রস্তুতি নাও। এটাই ইসলামকে অনন্য করে তুলেছে।
১৩ আগস্ট ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: SunnahFiles Web
সাইবার বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: মুসলিমদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান
গাজার ‘হলুদ রেখা’ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে: যুদ্ধবিরতির আড়ালে কি গাজাকে স্থায়ীভাবে বিভক্ত করছে ইসরায়েল?
আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, হিজাব পরায় স্কুল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুসলিম ছাত্রীদের
৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?
সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো
আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?
ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার
মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়
সাইবার বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: মুসলিমদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান
গাজার ‘হলুদ রেখা’ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে: যুদ্ধবিরতির আড়ালে কি গাজাকে স্থায়ীভাবে বিভক্ত করছে ইসরায়েল?
আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, হিজাব পরায় স্কুল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুসলিম ছাত্রীদের
৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?
সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো
আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?
ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার
মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়