কিয়ামতের আগে বড় নিদর্শনগুলোর একটি হলো ‘ধোঁয়া’ আরবিতে যাকে বলা হয় আদ-দুখান। এটি কুরআন ও সহিহ হাদিসে বর্ণিত কিয়ামতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বিস্ময়কর নিদর্শন। এ নিদর্শনকে ঘিরে আহলে সুন্নাতের আলেমদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা রয়েছে। ধোঁয়ার এই নিদর্শন কি ইতোমধ্যে নবী ﷺ-এর সময়ে সংঘটিত হয়েছিল, নাকি কিয়ামতের আগে শেষ সময়ে এটি এখনো প্রকাশ পাওয়া বাকি?
কুরআনে ধোঁয়ার উল্লেখ
কুরআনে বলা হয়েছে: “অতএব আপনি সেই দিনের অপেক্ষা করুন, যেদিন আকাশ এক সুস্পষ্ট ধোঁয়া দ্বারা আচ্ছন্ন হবে। তা মানুষকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে। তারা বলবে, ‘এটি তো এক যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।’ সূরা আদ-দুখান, ৪৪:১০-১১
এখানে বিষয়টি স্পষ্ট ভাষায় বর্ণিত হয়েছে। একটি দৃশ্যমান ধোঁয়া মানুষকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে এবং মানুষ এটিকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি হিসেবে উপলব্ধি করবে।
বড় নিদর্শনগুলোর একটি ধোঁয়া
এ বিষয়ে সবচেয়ে স্পষ্ট হাদিসের প্রমাণ পাওয়া যায় সহিহ মুসলিমে। হুযাইফা ইবনু উসাইদ আল-গিফারি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, একবার নবী ﷺ সাহাবিদের কাছে এলেন। তখন তাঁরা কিয়ামত নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তিনি বললেন, দশটি নিদর্শন প্রকাশ না পাওয়া পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। তিনি সেসব নিদর্শনের মধ্যে ধোঁয়া, দাজ্জাল, দাব্বাতুল আরদ, পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হওয়া, মারইয়ামপুত্র ঈসা আলাইহিস সালামের অবতরণ, ইয়াজুজ-মাজুজ, তিনটি ভূমিধস এবং ইয়েমেন থেকে এমন একটি আগুনের কথা উল্লেখ করেন, যা মানুষকে তাদের সমবেত হওয়ার স্থানের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে।
এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে ধোঁয়া কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন। এটি কোনো ছোটখাটো ঘটনা নয়। মানব ইতিহাসের সমাপ্তির আগে পৃথিবীকে পরিবর্তন করে দেওয়া শেষ পর্যায়ের বড় নিদর্শনগুলোর অন্তর্ভুক্ত এটি।
ইবনু মাসউদের মত: এটি ইতোমধ্যে সংঘটিত হয়েছে
এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা এসেছে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে। সহিহ বুখারিতে ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু ব্যাখ্যা করেন, ধোঁয়া বলতে এমন এক কঠিন দুর্ভিক্ষকে বোঝানো হয়েছে, যা কুরাইশদের ওপর নেমে এসেছিল। তারা নবী ﷺ-কে অস্বীকার করার পর এমন ভয়াবহ ক্ষুধায় আক্রান্ত হয়েছিল যে, একজন মানুষ আকাশের দিকে তাকালে নিজের ও আকাশের মাঝখানে ধোঁয়ার মতো কিছু দেখতে পেত।
তিনি এটিকে সূরা আদ-দুখানের আয়াতগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত করেছেন। এরপর আয়াতে উল্লেখিত “মহাগ্রাস” বলতে বদরের যুদ্ধকে বোঝানো হয়েছে বলে তিনি ব্যাখ্যা করেন।
ইবনু কাসির তাঁর তাফসিরে এই মতটি উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, পাঁচটি নিদর্শন ইতোমধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে। এগুলো হলো ধোঁয়া, রোমানদের ঘটনা, চাঁদ বিদীর্ণ হওয়া, মহাগ্রাস এবং আল-লিযাম।
ইবনু কাসির আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিক যুগের একাধিক আলেম ইবনু মাসউদের এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মুজাহিদ, আবুল আলিয়া, ইবরাহিম আন-নাখাঈ, আদ-দাহহাক এবং আরও অনেকে। এই মত অনুযায়ী, ধোঁয়া হলো এমন একটি শাস্তি, যা নবী ﷺ-এর সময়ে কুরাইশদের ওপর ইতোমধ্যে এসেছিল।
অন্য মত: এটি এখনো সংঘটিত হয়নি
আহলে সুন্নাতের আরেকটি শক্তিশালী মত হলো, ধোঁয়ার সেই বড় নিদর্শন এখনো প্রকাশ পায়নি এবং কিয়ামতের আগে প্রতীক্ষিত বড় নিদর্শনগুলোর একটি হিসেবে এটি ভবিষ্যতে প্রকাশ পাবে।
ইমাম কুরতুবি তাঁর তাফসিরে এটিকে প্রথম মত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ধোঁয়া কিয়ামতের নিদর্শনগুলোর অন্তর্ভুক্ত এবং এটি এখনো আসেনি।
তিনি উল্লেখ করেন, এটি আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী পুরো স্থানকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে। মুমিনের ওপর এর প্রভাব সর্দি-জ্বরের মতো হবে। কিন্তু কাফির ও পাপী ব্যক্তি এর কারণে আরও কঠিন কষ্ট ভোগ করবে।
তিনি আরও কয়েকজন প্রাথমিক যুগের আলেমের নাম উল্লেখ করেছেন, যারা মনে করতেন ধোঁয়ার নিদর্শন এখনো প্রকাশ পায়নি। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু, ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু, হাসান বসরি এবং আরও অনেকে।
ইবনু কাসিরও ভবিষ্যতে ধোঁয়া প্রকাশ পাওয়ার মতটি উল্লেখ করেছেন। ইবনু মাসউদের মত তুলে ধরার পর তিনি বলেন, অন্যরা মনে করেন ধোঁয়ার সেই নিদর্শন এখনো সংঘটিত হয়নি; বরং এটি কিয়ামতের নিদর্শনগুলোর একটি।
এরপর তিনি সহিহ মুসলিমে বর্ণিত হুযাইফা ইবনু উসাইদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদিস উল্লেখ করেন, যেখানে নবী ﷺ দশটি বড় নিদর্শনের মধ্যে ধোঁয়ার কথা বলেছেন। নিজের আলোচনার শেষে ইবনু কাসির বলেন, সাহাবি ও তাবেঈদের বিভিন্ন বর্ণনা এবং নবী ﷺ-এর সূত্রে বর্ণিত হাদিসগুলো থেকে বোঝা যায় যে ধোঁয়া কিয়ামতের প্রতীক্ষিত নিদর্শনগুলোর একটি।
তিনি আরও বলেন, কুরআনের আয়াতের বাহ্যিক অর্থও এই মতকে সমর্থন করে। কারণ আয়াতে এমন একটি সুস্পষ্ট ও দৃশ্যমান ধোঁয়ার কথা বলা হয়েছে, যা সবাই দেখতে পাবে।
আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য কেন হলো?
এই মতপার্থক্য দুর্বল সূত্রের কারণে নয়। বরং এর কারণ হলো, প্রমাণগুলো দুই দিকের ইঙ্গিত বহন করে। একদিকে, ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু কুরাইশদের ওপর নেমে আসা দুর্ভিক্ষ এবং বদরের যুদ্ধের সঙ্গে ধোঁয়াকে সম্পর্কিত করে একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এই ব্যাখ্যা সহিহ বুখারিতে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
অন্যদিকে, সহিহ মুসলিমে ধোঁয়াকে কিয়ামতের আগে প্রকাশিত দশটি বড় নিদর্শনের একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে দাজ্জাল, দাব্বাতুল আরদ এবং পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হওয়ার মতো বড় নিদর্শনের পাশাপাশি ধোঁয়ার কথাও এসেছে।
এ কারণে অনেক আলেম বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ব্যাখ্যা করেছেন। কেউ বলেছেন, কুরআনে উল্লেখিত ধোঁয়া বলতে কুরাইশদের দুর্ভিক্ষের সময়ের ঘটনাকে বোঝানো হয়েছে। অন্যরা বলেছেন, প্রকৃত বড় ধোঁয়া এখনো আসেনি।
আবার কেউ কেউ দুই ধরনের বর্ণনার মধ্যে সমন্বয় করেছেন। তাঁদের মতে, অতীতে একটি ধোঁয়ার মতো শাস্তি সংঘটিত হয়েছিল, আর কিয়ামতের আগে আরও বড় একটি ধোঁয়া প্রকাশ পাবে, যা কিয়ামতের নিদর্শনগুলোর অন্তর্ভুক্ত হবে।
ধোঁয়া মানুষের ওপর কী প্রভাব ফেলবে?
বিভিন্ন বর্ণনায় বলা হয়েছে, এই ধোঁয়ার প্রভাব মানুষের ওপর ভিন্ন ভিন্নভাবে পড়বে। ইমাম কুরতুবি এমন একটি মত উল্লেখ করেছেন, যার অনুযায়ী মুমিনের ওপর ধোঁয়ার প্রভাব সর্দি-জ্বরের মতো হবে। অন্যদিকে কাফির ও পাপী ব্যক্তির ওপর এর প্রভাব হবে অত্যন্ত কঠিন।
ইবনু কাসিরও একই অর্থের বিভিন্ন বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। এসব বর্ণনায় বলা হয়েছে, মুমিনের ওপর এর প্রভাব এমন হবে যেন সে সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। আর কাফিরের ওপর এর প্রভাব আরও তীব্র হবে এবং সে এতে ভীষণভাবে আক্রান্ত হবে।
তবে প্রমাণের বাইরে গিয়ে এর সুনির্দিষ্ট শারীরিক বিবরণ নিয়ে অতিরঞ্জন করা উচিত নয়। যে বিষয়টি স্পষ্ট, তা হলো এই ধোঁয়া হবে সর্বজনীন, দৃশ্যমান ও যন্ত্রণাদায়ক একটি নিদর্শন, যা কিয়ামতের আগের শেষ পর্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।
ধোঁয়ার অন্তর্নিহিত সতর্কবার্তা
ধোঁয়ার কথা মানুষের কৌতূহল বাড়ানোর জন্য উল্লেখ করা হয়নি। এটি একটি সতর্কবার্তা। মানুষ অনেক সময় ওহি, উপদেশ, ইতিহাস, মৃত্যু, অসুস্থতা কিংবা বিপর্যয়ের মতো বিভিন্ন নিদর্শন দেখেও তা উপেক্ষা করে। ধোঁয়া এমন একটি পর্যায়ের প্রতীক, যখন অস্বীকার করে পার পাওয়ার সুযোগ আর থাকবে না। এটি মানুষকে আচ্ছন্ন করবে। চারদিক থেকে ঘিরে ফেলবে। একে আর উপেক্ষা করা সম্ভব হবে না।
এ কারণেই কুরআনে একে সুস্পষ্ট ও সর্বব্যাপী ধোঁয়া হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর বার্তা খুবই সরল। এমন নিদর্শনের জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়, যার আবির্ভাবের পর অস্বীকার করার সুযোগ আর থাকবে না।
উপসংহার
কিয়ামতের আগে ধোঁয়ার নিদর্শনের কথা কুরআন ও সহিহ সুন্নাহতে প্রমাণিত হয়েছে। সূরা আদ-দুখানে এমন একটি দৃশ্যমান ধোঁয়ার কথা বলা হয়েছে, যা মানুষকে আচ্ছন্ন করবে এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির কারণ হবে। সহিহ মুসলিমে ধোঁয়াকে কিয়ামতের আগে প্রকাশিত দশটি বড় নিদর্শনের একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আর সহিহ বুখারিতে ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর ব্যাখ্যা রয়েছে যে, কুরাইশদের দুর্ভিক্ষের সময় ধোঁয়ার নিদর্শন সংঘটিত হয়েছিল।
এ কারণে আহলে সুন্নাতের আলেমরা বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। কেউ বলেছেন, এটি ইতোমধ্যে সংঘটিত হয়েছে। অন্যরা বলেছেন, এটি এখনো ভবিষ্যতে সংঘটিত হবে।
দুই মতের মধ্যে একটি শক্তিশালী সমন্বয়মূলক ব্যাখ্যা হলো, কুরাইশরা অতীতে ধোঁয়ার মতো একটি শাস্তির সম্মুখীন হয়েছিল, আর কিয়ামতের আগে আরও বড় ধোঁয়া প্রতীক্ষিত নিদর্শনগুলোর একটি হিসেবে প্রকাশ পাবে।
যেভাবেই বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হোক, এর শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আকাশ পরিবর্তিত হওয়ার আগে হৃদয়কে পরিবর্তন করতে হবে। নিদর্শনগুলো এমন পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই, যখন তা মানুষকে চারদিক থেকে আচ্ছন্ন করে ফেলবে, মুমিনের উচিত দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা।
তারিখ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: SunnahFiles Web
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার
মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়
ভেনিসে মুসল্লিদের জুমার নামাজে উসকানি, বন্ধ মসজিদেও হামলার অভিযোগ
দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো ৯টি দোয়া
ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত
হিজাব পরলেই জরিমানা: ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের নতুন পরিকল্পনার ছক
২৫ বছরের প্রতারণা: 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ' দিয়ে যেভাবে মুসলিমদের কলঙ্কিত করেছে পশ্চিমারা
সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে কুরআন বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
প্রাণীদের প্রতি আচরণে মহানবী ﷺ-এর আদর্শ
পশ্চিমা বিশ্বে নিজেদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে ইসলামবিদ্বেষকে ব্যবহার করছে ইসরায়েল
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার
মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়
ভেনিসে মুসল্লিদের জুমার নামাজে উসকানি, বন্ধ মসজিদেও হামলার অভিযোগ
দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো ৯টি দোয়া
ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত
হিজাব পরলেই জরিমানা: ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের নতুন পরিকল্পনার ছক
২৫ বছরের প্রতারণা: 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ' দিয়ে যেভাবে মুসলিমদের কলঙ্কিত করেছে পশ্চিমারা
সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে কুরআন বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
প্রাণীদের প্রতি আচরণে মহানবী ﷺ-এর আদর্শ
পশ্চিমা বিশ্বে নিজেদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে ইসলামবিদ্বেষকে ব্যবহার করছে ইসরায়েল