আল-আকসা মসজিদে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে সেখানে তালমুদভিত্তিক বিভিন্ন ধর্মীয় আচার পালন করা হচ্ছে। গবেষকদের মতে, এসব আচার-অনুষ্ঠান ওই স্থানের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বারবার মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশের মাধ্যমে এই প্রচেষ্টা আরও জোরদার হচ্ছে।
রোববার সকাল থেকে বসতি স্থাপনকারীরা আল-আকসা মসজিদের ভেতরে প্রার্থনা, ধর্মীয় সংগীতধর্মী স্লোগান ও নৃত্য পরিবেশন করেছেন। এই স্থান থেকেই মহানবী মুহাম্মদ ﷺ-এর ইসরা বা রাত্রিকালীন সফর সংঘটিত হয়েছিল। তাঁরা সেখানে তথাকথিত ‘মহাকায় সিজদা’ পালন করেন এবং মসজিদ প্রাঙ্গণে উদ্ভিদজাত নৈবেদ্যও নিয়ে যান।
জেরুজালেম গভর্নরেট জানিয়েছে, এসব দৃশ্য আল-আকসা মসজিদের ভেতরে তালমুদভিত্তিক ধর্মীয় আচার পালনের ক্রমবর্ধমান প্রবণতারই প্রতিফলন। একই সঙ্গে মসজিদটির প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক ও আইনগত মর্যাদা পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। এর মাধ্যমে স্থানটিকে ইহুদিদের ধর্মীয় জীবন ও উৎসব উদ্যাপনের কেন্দ্রে পরিণত করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
হিব্রু বর্ষপঞ্জির তিশরি মাসে ইহুদিদের উৎসবের মৌসুম চলে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। এ সময়ের উল্লেখযোগ্য উৎসবগুলোর মধ্যে রয়েছে রোশ হাশানা, ইয়োম কিপুর, সুক্কোত এবং সর্বশেষ সিমহাত তোরা। এ সময়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান আল-আকসা মসজিদ ও জেরুজালেমের পুরোনো শহরের পরিচয় নিয়ে চলমান বিরোধের কেন্দ্রীয় উপাদানে পরিণত হয়েছে। গবেষকদের মতে, এসব আচার ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা আরও সুদৃঢ় করার রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
তথাকথিত ‘মহাকায় সিজদা’ কী?
বসতি স্থাপনকারীদের আল-আকসা মসজিদে পালন করা আচারগুলোর মধ্যে রয়েছে তথাকথিত ‘মহাকায় সিজদা’, যা ‘বেরাখোত’ নামে পরিচিত। যদিও এটি কোনো নির্দিষ্ট উপলক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসবের সময় এটির গুরুত্ব বেড়ে যায়। এর কারণ হলো, তখন অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেশি থাকে, সম্মিলিতভাবে আচারটি পালন করা হয় এবং এর সঙ্গে প্রকাশ্য প্রদর্শনীর বিষয়টিও যুক্ত থাকে।
এই আচারে পুরো শরীর মাটিতে বিছিয়ে উপুড় হয়ে সিজদা করা হয়। হাত, পা ও মুখসহ শরীরের সম্পূর্ণ অংশ মাটির সঙ্গে লেগে থাকে। এর মাধ্যমে চরম আনুগত্য ও আত্মসমর্পণের প্রকাশ ঘটানো হয়।
ইহুদি ধর্মীয় আইন অনুযায়ী, লেবীয় পুস্তকে পাথরের ওপর সরাসরি সিজদা করা নিষিদ্ধ বলা হয়েছে। কারণ, মূর্তি তৈরিতে পাথর ব্যবহৃত হতো। এ কারণে রোশ হাশানা ও ইয়োম কিপুরের সময় ইহুদি উপাসকেরা সিজদা করার আগে মাটিতে কাপড় বিছিয়ে নেন।
জেরুজালেমবিষয়ক গবেষক জিয়াদ ইবহাইস এর আগে আল-জাজিরা নেটকে জানিয়েছিলেন, এসব গোষ্ঠীর অনুসৃত ধর্মীয় ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আল-আকসার পাথরের ওপর সিজদা করাকে বৈধ মনে করা হয়। এর কারণ, তাঁদের দৃষ্টিতে এই স্থানটি একটি ‘বিদ্যমান মন্দির’ এবং ‘ঈশ্বরের আবাসস্থল’।
এই কারণেই অন্য ধরনের সিজদা থেকে আলাদা করে এই আচারকে ‘মহাকায় সিজদা’ বলা হয়।
এই আচারটির সঙ্গে ইহুদিদের প্রাচীন উপাসনাপদ্ধতিরও সম্পর্ক রয়েছে। এসব পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে পুরোহিতের আশীর্বাদ, মেনোরাহ বা সাত শাখাবিশিষ্ট বাতিদান উঁচু করে ধরা এবং পশু উৎসর্গ করা, যার মধ্যে মেষ জবাইও অন্তর্ভুক্ত।
এসব আচার পালন করা সম্ভব না হলে প্রতীকী বিকল্প ব্যবহার করা হতে পারে। যেমন, রক্তের প্রতীক হিসেবে লাল রঙের তরল ছিটানো কিংবা প্রতীকী ভেড়া উঁচু করে ধরা। কিছু গোষ্ঠী সম্মিলিতভাবে উচ্চস্বরে সম্পূর্ণ তালমুদভিত্তিক ধর্মীয় আচারও পালন করে।
তবে রোববার বসতি স্থাপনকারীরা যে ব্যাপক ও সম্মিলিতভাবে সিজদা করেছেন, তোরাহ বা ইহুদি ধর্মগ্রন্থে তার কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন ইস্তাম্বুলের ২৯ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের জেরুজালেম স্টাডিজ সেন্টারের পরিচালক ও শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ মারুফ।
মারুফ বলেন, বাইবেলীয় বর্ণনা অনুযায়ী, এই ধরনের সিজদার প্রচলিত রূপটি কথিত মন্দিরে ইয়োম কিপুরের দিনেই সীমাবদ্ধ ছিল। নির্দিষ্ট সময়ে শুধু ‘মহাপুরোহিত’ এবং ছোট একটি গোষ্ঠী এই আচার পালন করত।
তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, তা সত্ত্বেও মন্দির প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করা সংগঠনগুলো আল-আকসা মসজিদে প্রতিবার অনুপ্রবেশের সময় সম্মিলিতভাবে এই আচার পালনের ওপর জোর দিচ্ছে।
মারুফের মতে, এর উদ্দেশ্য হলো আল-আকসাকে এমনভাবে উপস্থাপন করা, যেন এটি ইতোমধ্যেই কথিত মন্দিরে পরিণত হয়েছে। মসজিদের পরিচয় পরিবর্তন এবং সেটিকে ইহুদিকরণের হাতিয়ার হিসেবেও এই আচার ব্যবহার করা হচ্ছে।
আল-আকসার পরিচয় পরিবর্তনের হাতিয়ার
মারুফ বলেন, মন্দির প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করা সংগঠনগুলো ইসরায়েলি দখলদার সরকারের সঙ্গে মিলে আল-আকসা মসজিদের পূর্ব দিকের প্রাঙ্গণকে উপাসনালয়ে পরিণত করার চেষ্টা করছে। তাদের লক্ষ্য, এটিকে সূচনা হিসেবে ব্যবহার করে পুরো মসজিদ প্রাঙ্গণকে স্থানভিত্তিকভাবে ভাগ করার ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া।
তিনি বলেন, “এই কারণেই তারা ওই স্থানের ওপর একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে এবং সেখানে নিজেদের সব ধর্মীয় আচার চাপিয়ে দিতে চায়। অন্যদিকে, অনুপ্রবেশ চলাকালে পুরো সময়জুড়ে দখলদার পুলিশের সদস্যরা মুসল্লি ও আল-আকসার রক্ষীদের সেখানে প্রবেশ করতে বাধা দেন।”
ইবহাইসের মতে, আল-আকসা মসজিদের পরিচয় পরিবর্তনের জন্য জায়নবাদীরা বাইবেলভিত্তিক ধর্মীয় আচারকে ঔপনিবেশিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়।
তিনি বলেন, তাদের উদ্দেশ্য হলো আল-আকসাকে ইহুদি ও মুসলিম উভয়ের জন্য একটি অভিন্ন পবিত্র স্থানে পরিণত করা। এর মাধ্যমে প্রথমে মসজিদটির ইসলামি পরিচয় অস্বীকার করা হবে এবং শেষ পর্যন্ত পুরো প্রাঙ্গণকে একটি মন্দিরে রূপান্তরের চেষ্টা করা হবে।
ইবহাইস এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের তিনটি পথ চিহ্নিত করেছেন। সেগুলো হলো স্থানভিত্তিক বিভাজন, সময়ভিত্তিক বিভাজন এবং প্রতীক ও মতাদর্শের মাধ্যমে মন্দির প্রতিষ্ঠার ধারণাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা।
বসতি স্থাপনকারীদের ধর্মীয় আচার শুধু একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি বা নৈবেদ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গান, সম্মিলিত প্রার্থনা ও তথাকথিত মহাকায় সিজদার পাশাপাশি সুক্কোত উৎসব উপলক্ষে তাঁরা আল-আকসা মসজিদে উদ্ভিদজাত নৈবেদ্যও নিয়ে গেছেন।
উদ্ভিদজাত নৈবেদ্য হিসেবে খেজুরের পাতা
মারুফের মতে, ‘উদ্ভিদজাত নৈবেদ্য’ সুক্কোত উৎসবের ফসল কাটার উৎসব হিসেবে পরিচয়কে প্রতিফলিত করে। তোরাহতে এই উৎসবের সময় চার ধরনের উদ্ভিদ ব্যবহারের বিধান রয়েছে। এগুলো হলো লেবুর মতো দেখতে সাইট্রন ফল, খেজুরের পাতা, মির্টল এবং উইলো গাছের ডাল। ধর্মীয় আচারের অংশ হিসেবে এসব উদ্ভিদ একসঙ্গে বেঁধে নৈবেদ্য তৈরি করা হয়।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে বসতি স্থাপনকারীরা গোপনে আল-আকসা মসজিদের ভেতরে খেজুরের পাতার নৈবেদ্য নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। এখন প্রকাশ্যেই এই কাজ করা হচ্ছে।
সুক্কোত উৎসবের সময় ইহুদিরা যে অস্থায়ী কুটিরের নিচে বসে খাবার খান, সেগুলো নির্মাণেও শুকনো খেজুরের পাতা ব্যবহার করা হয়। মারুফ আল-আকসা মসজিদে এ ধরনের নৈবেদ্য নিয়ে যাওয়াকে ঔপনিবেশিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় আচার ব্যবহারের আরেকটি উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, এর মাধ্যমে মসজিদটির ওপর ইহুদি পরিচয় চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
মন্দির প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করা গোষ্ঠীগুলোর সমসাময়িক ইহুদি ধর্মীয় বিশ্বাসে মন্দিরকে ঐশী উপস্থিতির আবাসস্থল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মারুফের ভাষ্য অনুযায়ী, এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে আল-আকসায় উদ্ভিদজাত নৈবেদ্য দেওয়া কথিত মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রতীকী ও ধর্মীয় পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে কাজ করছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, বসতি স্থাপনকারীরা আল-আকসা মসজিদের ভেতরে প্রকাশ্যে এসব নৈবেদ্য নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার করছে। সুক্কোত উৎসবের সাত দিনজুড়েই মসজিদে অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে।
জেরুজালেম গভর্নরেটের এক বিবৃতি অনুযায়ী, মন্দির প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করা সংগঠনগুলো গতকাল জানিয়েছে, ইসরায়েলি পুলিশ অংশগ্রহণকারীদের আল-আকসা মসজিদের ভেতরে উদ্ভিদজাত নৈবেদ্য নিয়ে যেতে বাধা দেয়নি।
অথচ পুলিশ এর আগে এক সরকারি ঘোষণায় জানিয়েছিল, এসব উদ্ভিদ নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ এবং সেগুলো জব্দ করা হবে। কেউ সেগুলো মসজিদ প্রাঙ্গণে নেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হবে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাবিষয়ক সমর্থন
চলতি বছরের ইহুদি ধর্মীয় উৎসবের সময় বসতি স্থাপনকারীদের উদ্যাপন, উদ্ভিদজাত নৈবেদ্য এবং তালমুদভিত্তিক ধর্মীয় আচার পালনের সঙ্গে ইসরায়েলের শীর্ষ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততাও দেখা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী সারা বুরাক প্রাচীরের নিচের এলাকায় সফর করেছেন। অন্যদিকে, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করেছেন।
আজ সকালে মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশের সময় বেন-গভির বলেন, “আল-আকসার এই স্থানের মালিক আমরাই। আমরা এখানে প্রার্থনা করি এবং এটি ইহুদি জনগণের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান।”
জেরুজালেম গভর্নরেটের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজও বুরাক প্রাচীরে ‘পুরোহিতের আশীর্বাদ’ নামের ধর্মীয় আচার পালনে অংশ নিয়েছেন।
গভর্নরেট জানিয়েছে, সুক্কোত উৎসবের তৃতীয় দিনে গতকাল সকাল ও সন্ধ্যায় মোট ১ হাজার ৭৯২ জন বসতি স্থাপনকারী আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করেছে।
তারিখ: ২ অক্টোবর ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: SunnahFiles Web
আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?
ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার
মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়
ভেনিসে মুসল্লিদের জুমার নামাজে উসকানি, বন্ধ মসজিদেও হামলার অভিযোগ
দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো ৯টি দোয়া
ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত
হিজাব পরলেই জরিমানা: ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের নতুন পরিকল্পনার ছক
২৫ বছরের প্রতারণা: 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ' দিয়ে যেভাবে মুসলিমদের কলঙ্কিত করেছে পশ্চিমারা
সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে কুরআন বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?
ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার
মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়
ভেনিসে মুসল্লিদের জুমার নামাজে উসকানি, বন্ধ মসজিদেও হামলার অভিযোগ
দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো ৯টি দোয়া
ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত
হিজাব পরলেই জরিমানা: ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের নতুন পরিকল্পনার ছক
২৫ বছরের প্রতারণা: 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ' দিয়ে যেভাবে মুসলিমদের কলঙ্কিত করেছে পশ্চিমারা
সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে কুরআন বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন