মনির আহমদ মনির।
মেটাভার্স- বর্তমানে তুমুল আলোচিত একটি নাম। যাকে বলা হচ্ছে ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ; যেখানে ইন্টারনেটকে এমন জীবন্ত ও জীবনঘনিষ্ঠ করে তোলা হবে যা আমাদের বর্তমান ডিজিটাল দুনিয়ার ধারণারও বাইরে! মেটাভার্স হবে নতুন এক জগত যেখানে মানুষের বাস্তব অস্তিত্ব ও ভার্চুয়াল অস্তিত্বকে এমনভাবে মিশিয়ে দেয়া হবে যে, চোখে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভি আর) হেডসেট ও চশমা পরে মানুষ প্রবেশ করবে এক নতুন ডিজিটাল জগতে।
সেখানে প্রতিটি মানুষের একটি করে অবতার (Avatar) সৃষ্টি হবে; যেটি দিয়ে সেই জগতে মানুষ পরস্পরের সঙ্গে বাস্তব পৃথিবীর মতোই আড্ডা দেবে, ঘুরে বেড়াবে, শ্রেণী কক্ষে ক্লাস করবে, অফিসের কাজ করবে, শপিং করবে, লাইভ কনসার্টে যোগ দেবে, খেলাধুলা করবে। কেউ চাইলে চলে যেতে পারে ইতিহাসের আদি কোন পর্বে। ইচ্ছে মতো ঘুরে আসতে পারবে পৃথিবীর যেকোন পছন্দের যায়গা থেকে। সময় কাটাতে পারবে শত শত বছর আগে গত হওয়া কোন মানুষের সাথেও। অর্থাৎ মানুষ সবই করবে, তাঁর শরীর থাকবে ঘরে কিংবা বাইরে কিন্তু দেখার ও অনুভবের জগত হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন-ভার্চুয়াল।
প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, মেটাভার্সের কারণে ইন্টারনেটের ভার্চুয়াল জগতকে মনে হবে বাস্তব জগতের মতো যেখানে মানুষের যোগাযোগ হবে বহুমাত্রিক। মেটাভার্স প্রযুক্তির মাধ্যমে আপনি কোন কিছু শুধু কেবল দেখতেই পাবেন না, তাতে নিজেকে জড়িয়ে ফেলতেও সক্ষম হবেন।
মেটাভার্স প্রযুক্তির কথা সাইন্স ফিকশনের কল্পকাহিনীর মতো শুনতে মনে হলেও তা বাস্তবায়ন করার পথে অনেক দূর পৌঁছে গেছে প্রযুক্তি দানব প্রতিষ্ঠান গুলো। ইতোমধ্যে জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ পাঁচ বছরের মধ্যেই ফেসবুক মেটাভার্স প্রযুক্তিতে পদার্পণ করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
মেটাভার্সে ইন্টারনেট জগতকে বাস্তব জগতের মতোই মনে হবে। সহজ উদাহরণ দিয়ে যদি বলি, এখন আমরা অনলাইনে পণ্য দেখে শপিং করি, ক্যাশ অন ডেলিভারি বা ক্রেডিট কার্ডে দাম মেটাই। মেটাভার্সে চোখে ভি আর ডিভাইস যুক্ত করে আপনি ডিজিটাল শপিং ওয়ার্ল্ডে প্রবেশ করবেন যেখানে পছন্দের পোশাকটির একটি ডিজিটাল সংস্করণ আপনার অ্যাভাটারের গায়ে পরিয়ে মনমতো হলে এবার পোশাকটি কিনে ফেললেন। অ্যাভাটার হবে আপনারই ডিজিটাল শরীর। তাই মনে হবে যেন সত্যিই পোশাকটি আপনিই গায়ে দিয়েছেন! কাগজের মুদ্রা বা ক্রেডিট কার্ডের জায়গা দখল করবে ডিজিটাল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি।
শুধু শপিং নয়, মেটাভার্সের জগতে এভাবে সবকিছুই হবে ভার্চুয়ালি। থ্রি-ডি গেইম কিংবা থ্রি-ডি মুভির মাধ্যমে থ্রি-ডি ভার্চুয়াল জগতের কিছুটা ধারণা আমরা পাই কিন্তু সামনের পৃথিবীতে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সবকিছুই হবে থ্রি-ডি এবং যে প্ল্যাটফর্মে এটি সংঘটিত হবে সেটিই মেটাভার্স।
মেটাভার্স প্রযুক্তির দিকে কেবল ফেসবুক নয়, অনেক তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানি বিভিন্ন প্রকারের মেটাভার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমে পড়েছে। মাইক্রোসফট, অ্যাপল, গুগুল- সবাই! কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence- AI) এবং মেশিন লার্নিং হবে এই প্রযুক্তির চালিকাশক্তি। মেটাভার্সের দুনিয়ায় জড়িয়ে যাবে মানুষের ব্যক্তিজীবন, পেশাজীবন, সমাজজীবন, শিক্ষা, অর্থনীতি, শিল্প, বিনোদনসহ প্রায় সব কিছুই। কিন্তু, মানবজীবন তো আর থ্রি-ডি ভিডিও গেইম নয়। তাই এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আইনগত বিষয়গুলো কেমন হবে সেটিও বর্তমানে ভীষণ প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠেছে।
বাস্তব জগত থেকে ভার্চুয়াল জগতে অবাধ, স্বাধীন ও সহজ প্রবেশাধিকার মানব জাতির জন্য কল্যান নাকি ক্ষতি বয়ে আনবে সেটাও এখন বড় প্রশ্ন।
বাস্তব দুনিয়ায় যে রকম অপরাধ হয়, মেটাভার্সের ভার্চুয়াল জগতেও তেমন অপরাধ সংঘটিত হতে পারে। যেমন, ভার্চুয়াল প্রতারণা, ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইলিং, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ও তথ্যের অপব্যবহার, ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন, ভার্চুয়াল সম্পদ লুণ্ঠন, ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস লঙ্ঘন প্রভৃতি। প্রশ্ন উদয় হয় মেটাভার্স জগতে এসব বিষয়ের আইনগত পরিসীমা ও বিচার প্রক্রিয়া কীভাবে নির্ধারিত হবে?
মেটাভার্স প্রযুক্তি আবির্ভাবের সাথে সাথে মানবিকতা ও বাস্তব জগতের বোধও লুপ্ত হবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। দেখা যেতে পারে মায়ের খুব কাছেই তার ছোট্ট শিশুটি ক্ষুধার যন্ত্রণায় কান্না করছে কিন্তু পাশে থাকা সত্ত্বেও মায়ের কর্ণ কুহুরে সন্তানের কান্নার ধ্বনি পৌঁছাচ্ছে না! এক বিছানায় থেকেও মা সারা দিচ্ছে না সন্তানের করুন আবেদনে। কেননা তখন হয়তো মা বাস্তব জগতে নেই, তিনি হয়তো ভি আর হেডসেট লাগিয়ে বিচরণ করছেন বলিউডের রঙিন জগতে। মেটাভার্সের ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করা ব্যক্তির পাশেই কী ঘটছে সে জানবে না। নিজ ঘরে আগুন লাগলেও না, বাইরে থেকে শত শত মানুষ আগুন আগুন বলে চিৎকার করলেও ততক্ষণ পর্যন্ত সে কিছুই জানবে না যেই পর্যন্ত না তার নিজ শরীরে আগুন স্পর্শ করে।
মেটাভার্সের ভার্চুয়াল জগতে সদ্য গোফ গজানো সম্ভবনাময় তরুণ ছেলেটি শিক্ষামূলক টিউটরিয়াল দেখার নামে পর্নগ্রাফি বা অন্য কোন নিষিদ্ধ জগতে প্রবেশ করছে কিনা তাও বোঝার সুযোগ থাকছে অভিভাবকদের। কোন সন্ত্রাসী চক্রের সাথে যুক্ত হয়ে অপরাধ মূলক কাজের প্রশিক্ষণ পর্ব কেউ নিজ শয়ন কক্ষে শুয়ে-বসেই সেরে ফেলছে কিনা তাও বোঝার উপায় নেই! এর ফলে হুঁ হুঁ করে বেড়ে যেতে পারে অপরাধ ও অপরাধীর সংখ্যা। ঘটতে মানসিক বিকৃতি ও পারস্পারিক সন্দেহ প্রবণতা।
শুধু তাই নয় মেটাভার্স জগতে বর্তমান বাণিজ্য আইন ও মুদ্রানীতি অকার্যকর হয়ে যাবে। ডিজিটাল এক্সচেঞ্জ ও ক্রিপ্টোকারেন্সি সামনে চলে আসবে। এই ডিজিটাল মুদ্রা কারা ব্যবহার করবে? কিভাবে করবে? মালিকানা কীভাবে হবে? কে বেচবে? কে কিনবে? কে বাণিজ্য করতে পারবে? কে পারবে না? সবকিছুর জন্য নতুন আইন ও আইনি কাঠামো তৈরি করতে হবে। এছাড়া যদি কোন কারণে সার্ভার ফল করে তাহলে সমস্ত সম্পদ ও সঞ্চয় নিমিষেই নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে।
বর্তমান সময়ের চেয়ে মেটাভার্স জগত হবে অনেক বেশি বায়োমেট্রিক তথ্য নির্ভর। অর্থাৎ, মেটাভার্স কোম্পানিগুলো আমাদের আঙুলের ছাপ শুধু নয়, বরং আমাদের চোখের দৃষ্টি, ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন, মস্তিষ্কের চিন্তা-ভাবনা, এমনকি আমাদের প্রাত্যহিক যাবতীয় কর্মকাণ্ডের ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে। যেহেতু মানুষ জাগ্রত অবস্থা এমনকি নিদ্রিত অবস্থারও বেশিরভাগ সময় মেটাভার্স জগতে ব্যয় করবে, এর ফলে সেসব মানুষের ব্যক্তিগত সমস্ত তথ্যের মালিকানা কার হাতে থাকবে? ব্যক্তিগত তথ্য যদি চুরি হয় কিংবা অপব্যবহার হয়- তাহলে কে দায়ী হবে? কীভাবে দায়ী হবে? সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তথ্য চলে যাবে রাষ্ট্র কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হাতে, মানুষ হয়ে পড়বে অনেক অনেক বেশি রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত, স্বাধীনতা হবে খর্ব, প্রাইভেসির কোন থাকবে না বালাই।
প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষকদের অনেকেই মনে করছেন, মেটাভার্সের মাধ্যমে ফেসবুকের মতো কোম্পানিগুলো বর্তমানের চেয়ে বেশি ব্যক্তিগত তথ্য আরও সহজে হাতিয়ে নেবে, মানুষ অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে আরও বেশি ডিজিটাল সারভেইলেন্স-এর শিকার হবে, মানুষের ব্যক্তিগত তথ্যের বাণিজ্যিক ব্যবহারের মাধ্যমে এরা আর্থিকভাবে আরো লাভবান হবে এবং তথ্যের অপব্যবহার ঠেকানো কঠিনতর হয়ে উঠবে। মেটাভার্স হবে ডাটা ব্যবসায়ীদের জন্য সোনার খনি।
ফেইসবুকের প্রথম দিককার বিনিয়োগকারীদের একজন রজার ম্যাকনামি ইতোমধ্যে বলেছেন, “মেটাভার্স একটা বাজে বুদ্ধি আর আমরা সবাই বসে বসে এটা দেখছি যেন এটা স্বাভাবিক কিছু। সবাইকে দুশ্চিন্তায় পরা উচিত এটা নিয়ে।
এছাড়া ফেসবুকের মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ভার্চুয়াল জগৎকে নিজেদের উপনিবেশ বানিয়ে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন- ভি আর বিশেষজ্ঞ ম্যাকিনটশ।
সম্প্রতি ফেসবুকের প্রাক্তন ডাটা সায়েন্টিস্ট ও সিভিক ইন্টেগ্রিটি ইউনিট ম্যানেজার ফ্রান্সেস হাউগেন জানিয়েছেন যে, কেবল এক ইনস্টাগ্রামের কারণেই ৩২ শতাংশ কিশোরী নিজেদের শরীর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করে। এমন আরও অজস্র নেতিবাচক বিষয় বহুলাংশে বৃদ্ধি পেতে পারে মেটাভার্সে।
মেটাভার্স প্রযুক্তি মানুষের অনেক সেবা হাতের নাগালে যেমন এনে দিবে আবার বিনিময়ে ব্যক্তিগত সকল তথ্যই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছেই চলে যাবে। যার ফলে নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে মানুষের জীবন। ম্যানিকটসের আশংকা সত্য হলে কার্যতই গড়ে উঠবে ভার্চুয়াল উপনিবেশ।
ম্যাটাভার্সের ফলে কাল্পনিক জগত ও ভিডিও গেইমসে বুদ হয়ে থাকা তারুণ্যের মাঝে বেড়ে যেতে পারে দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, জীবন সম্পর্কে হতাশা ও আত্মহত্যাকারীর সংখ্যা। অবাধ মেটাভার্সের জগত ঘটাতে পারে ব্যাপক নৈতিক স্খলন। ধর্ম থেকে দূরে ইহজীবন থেকে মহাজীবনের পথে যাত্রা সম্পর্কে ভুলে থাকা সভ্যতার মানুষদের জন্য মেটাভার্স কী অদ্য সুফল বয়ে আনবে নাকি এই সভ্যতার মানুষেরা বড় সংকটে পড়তে যাচ্ছেন? সেই জল্পনা-কল্পনা, আশা-আশংকার বাস্তব প্রকাশ দেখতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আরো কিছু সময়।
আল-আকসা মসজিদ কি শিগগিরই বন্ধ হতে যাচ্ছে?
গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে সুদানের দুর্ভিক্ষ: ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে রমজানের আগমন
গাজায় “দ্য ভ্যাপোরাইজড”: এক অনুসন্ধানে এমন ইসরায়েলি অস্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে, যা হাজারো ফিলিস্তিনিকে নিশ্চিহ্ন
নেতানিয়াহুর বন্ধুর কবজায় টিকটক: অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই
গাজা এখন “আল-মসীহ আদ-দাজ্জাল”-এর শাসনের অধীনে
ইহুদি ধর্মগ্রন্থ, জায়নবাদ ও মুসলিমদের জন্য সচেতন পাঠ: ইতিহাস, আদর্শ ও বাস্তবতার মুখোমুখি
ইজরায়েলি সংসদে গাজা বাস্তুচ্যুতি এজেন্ডা: ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিতে নতুন পরিকল্পনার আলোচনা
সিলেট দা’ওয়াহ সেন্টারে নাসীহাহ সেশন: সবার জন্য দ্বীন শিক্ষায় মসজিদ কেন্দ্রিক উদ্যোগের আহ্বান
হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত
যুক্তরাজ্যে বাড়ছে তরুণ মেধাবীদের দেশত্যাগের প্রবণতা
লন্ডনে তা'লিমুল কুরআন মসজিদের ১২তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন
সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে দিনমজুরদের মাঝে দা’ওয়াহ কার্যক্রম ও ফুডপ্যাক বিতরণ সম্পন্ন
ইসলামের চিন্তা ও একদল ভুল মানুষ
হামলা যেদিকে আসে মোকাবিলাও সেদিকে করতে হয়
শায়খে বাঘা রহ.’এর নামে পাকিস্তানে মসজিদ নির্মাণ করছে সিম্পল রিজন চ্যারিটি
আল-আকসা মসজিদ কি শিগগিরই বন্ধ হতে যাচ্ছে?
গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে সুদানের দুর্ভিক্ষ: ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে রমজানের আগমন
গাজায় “দ্য ভ্যাপোরাইজড”: এক অনুসন্ধানে এমন ইসরায়েলি অস্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে, যা হাজারো ফিলিস্তিনিকে নিশ্চিহ্ন
নেতানিয়াহুর বন্ধুর কবজায় টিকটক: অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই
গাজা এখন “আল-মসীহ আদ-দাজ্জাল”-এর শাসনের অধীনে
ইহুদি ধর্মগ্রন্থ, জায়নবাদ ও মুসলিমদের জন্য সচেতন পাঠ: ইতিহাস, আদর্শ ও বাস্তবতার মুখোমুখি
ইজরায়েলি সংসদে গাজা বাস্তুচ্যুতি এজেন্ডা: ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিতে নতুন পরিকল্পনার আলোচনা
সিলেট দা’ওয়াহ সেন্টারে নাসীহাহ সেশন: সবার জন্য দ্বীন শিক্ষায় মসজিদ কেন্দ্রিক উদ্যোগের আহ্বান
হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত
যুক্তরাজ্যে বাড়ছে তরুণ মেধাবীদের দেশত্যাগের প্রবণতা
লন্ডনে তা'লিমুল কুরআন মসজিদের ১২তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন
সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে দিনমজুরদের মাঝে দা’ওয়াহ কার্যক্রম ও ফুডপ্যাক বিতরণ সম্পন্ন
ইসলামের চিন্তা ও একদল ভুল মানুষ
হামলা যেদিকে আসে মোকাবিলাও সেদিকে করতে হয়
শায়খে বাঘা রহ.’এর নামে পাকিস্তানে মসজিদ নির্মাণ করছে সিম্পল রিজন চ্যারিটি