সর্বশেষ
  ৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?   সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত   মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো   আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?   ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?   কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা   মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ   পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের   ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ   গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের   নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার   মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়   ভেনিসে মুসল্লিদের জুমার নামাজে উসকানি, বন্ধ মসজিদেও হামলার অভিযোগ   দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো ৯টি দোয়া   ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত   হিজাব পরলেই জরিমানা: ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের নতুন পরিকল্পনার ছক   ২৫ বছরের প্রতারণা: 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ' দিয়ে যেভাবে মুসলিমদের কলঙ্কিত করেছে পশ্চিমারা   সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে কুরআন বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন   প্রাণীদের প্রতি আচরণে মহানবী ﷺ-এর আদর্শ   পশ্চিমা বিশ্বে নিজেদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে ইসলামবিদ্বেষকে ব্যবহার করছে ইসরায়েল    লন্ডনে তালিমুল কুরআন ইউকে মসজিদের ১৩তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত   গাজায় মৃতদের দাফনের জন্যও ফুরিয়ে আসছে জায়গা   কেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব?   মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মের সময় কী কী নিদর্শন প্রকাশ পেয়েছিল?   যেসব বৈশিষ্ট্য ইসলামকে অনন্য করে তুলেছে   রাসুল ﷺ ও তাঁর পরিবার মাসের পর মাস 'যে দুই কালো খাবারে' জীবনধারণ করেছিলেন   মেলবোর্নে মসজিদের কাছে মুসলিম বাবার ওপর হামলা, অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ   ফ্রান্সে মসজিদ বন্ধ: মুসলিম সমাজে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের আতঙ্ক   স্কুলে যাওয়ার আগে শিশুকে টয়লেট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিতে হবে: যুক্তরাজ্যে অভিভাবকদের জন্যও টয়লেট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা   যা আল্লাহর হাতে, তা আল্লাহর কাছেই ছেড়ে দিন   কিয়ামতের অন্যতম বড় আলামত: দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ ও তার ফিতনা থেকে মুক্তির পথ   গাজা যুদ্ধ বন্ধে একের পর এক উদ্যোগ, কিন্তু কেন বারবার ব্যর্থ হলো আলোচনা?   ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশ গাজা শান্তি পরিষদ চুক্তির শর্তাবলি   মুসলিম তরুণদের জন্য সূরা আল-কাহফের ৫টি অনুপ্রেরণাদায়ক শিক্ষা   যুক্তরাজ্যে প্রতি পাঁচ দিনেই একটি মসজিদে হামলা: বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ, শঙ্কায় মুসলিম সমাজ   লন্ডনে AMTC-এর উদ্যোগে উদ্যোক্তা ও ফাউন্ডার মিটিং অনুষ্ঠিত   উইঘুর মুসলিমদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় হুমকিতে ফেলছে চীনের নতুন আইন   ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করো    যুক্তরাজ্যে তাবলিগের ইজতেমায় হামলার আশঙ্কায় ডজনখানেক সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার   গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা; আহত ৬   গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত ইসরায়েলের   বিভাজনের নীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিরোধের পথেই অবিচল গাজাবাসী   যুক্তরাজ্যে ইমামের বাড়িতে পেট্রোলবোমা হামলা, মসজিদের বাইরে উদ্ধার সন্দেহজনক বস্তু   পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?   মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক   বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল   ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই   গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী   পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা   গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ   প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম   আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক   সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান   "সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা   বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ   দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির   হালাল এওয়ারনেস নেটওয়ার্কের উদ্যেগে রোড ট্রিপ ও নিউক্যাসলে দিনব্যাপী হালাল স্ট্রিট ক্যাম্পেইন সমাপ্ত    গাজায় গণহত্যার নতুন কৌশল: নিভৃতে চলছে নিধন   আল-আকসা দখল হলে আমাদের করণীয় কী ?   ‘বাংলাদেশে দ্বীনের খেদমতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের করণীয়: যুবসমাজ, পরিবার ও ইসলামী পরিচয় রক্ষায় ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত   গাজায় চরম পানি সংকট: আল-মাওয়াসিতে তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখে হাজারো মানুষ   ইসরায়েলের ‘একতরফা মৃত্যুদণ্ড’ নীতি: আট দেশের তীব্র নিন্দা   সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   ফিলিস্তিনি মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা ইসরায়েলের   গাজায় নারীদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম পরিবেশও দিচ্ছে না ইসরায়েল: অ্যামনেস্টি   আল-আকসা মসজিদ কি শিগগিরই বন্ধ হতে যাচ্ছে?   গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে সুদানের দুর্ভিক্ষ: ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে রমজানের আগমন   গাজায় “দ্য ভ্যাপোরাইজড”: এক অনুসন্ধানে এমন ইসরায়েলি অস্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে, যা হাজারো ফিলিস্তিনিকে নিশ্চিহ্ন করেছে   নেতানিয়াহুর বন্ধুর কবজায় টিকটক: অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই   গাজা এখন “আল-মসীহ আদ-দাজ্জাল”-এর শাসনের অধীনে   ইহুদি ধর্মগ্রন্থ, জায়নবাদ ও মুসলিমদের জন্য সচেতন পাঠ: ইতিহাস, আদর্শ ও বাস্তবতার মুখোমুখি   ইজরায়েলি সংসদে গাজা বাস্তুচ্যুতি এজেন্ডা: ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিতে নতুন পরিকল্পনার আলোচনা   সিলেট দা’ওয়াহ সেন্টারে নাসীহাহ সেশন: সবার জন্য দ্বীন শিক্ষায় মসজিদ কেন্দ্রিক উদ্যোগের আহ্বান   হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত   যুক্তরাজ্যে বাড়ছে তরুণ মেধাবীদের দেশত্যাগের প্রবণতা   লন্ডনে তা'লিমুল কুরআন মসজিদের ১২তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন   সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে দিনমজুরদের মাঝে দা’ওয়াহ কার্যক্রম ও ফুডপ্যাক বিতরণ সম্পন্ন   ইসলামের চিন্তা ও একদল ভুল মানুষ   হামলা যেদিকে আসে মোকাবিলাও সেদিকে করতে হয়   শায়খে বাঘা রহ.’এর নামে পাকিস্তানে মসজিদ নির্মাণ করছে সিম্পল রিজন চ্যারিটি   কুইন মেরী ইউনিভার্সিটির গবেষণা ‘জেনোসাইড ইন মায়ানমার’   গ্রন্থ পর্যালোচনা: দ্যা রুম হোয়ার ইট হ্যাপেন্ড   গ্রন্থ পর্যালোচনা: ইবনে খালদুনের দ্য মুকাদ্দিমা   সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে সুনামগঞ্জে শীতকালীন ফুড এইড কার্যক্রম সম্পন্ন   সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   ইস্তাম্বুলে হালাল ফুড এক্সপোতে দ্য এসোসিয়েশন অব হালাল রিটেইলারস ইউকের অংশগ্রহণ   লন্ডনে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে 'সেবার মাধ্যমে দাওয়াহ' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   সিম্পল রিজনের সহযোগীতায় বগুড়ায় দাওয়াহ হালাকাহ অনুষ্ঠিত   সিলেটে নববী দাওয়াহ : পদ্ধতি ও শিক্ষা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত   নোয়াখালীতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সিম্পল রিজনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান   লক্ষীপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সিম্পল রিজন চ্যারিটির ত্রাণ বিতরণ   কুরবানি, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিধান। মুফতি শরীফ মোহাম্মদ সাঈদ   লন্ডনে সিম্পল রিজনের অফিস পরিদর্শন করলেন মুফতি সাইফুল ইসলাম   লিডসে শায়েখে বাঘা রহঃ-এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   বার্মিংহামে শায়েখে বাঘা রহঃ জীবন ও কর্ম শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত   লন্ডনের সভায় আলেমরা বি এ এস বি কমপ্লেক্সকে সহযোগিতার আহবান জানালেন।   বই- বশীর আহমদ শায়খে বাঘা রহ.   বায়রাক্তার টিবি২ দীপ্তিমান করছে তুরস্কের ভাগ্য   জার্মানিতে বছরে শতাধিক মসজিদে হামলা; উদ্বিগ্ন মুসলিমরা   বুজুর্গ উমেদ খাঁ। চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধারের মহানায়ক!   ডুরান্ড লাইন! পাক - আফগান দ্বন্দ্বের রেড লাইন!   ত্রিপুরা ও বাংলার ঐতিহাসিক সম্পর্ক | পর্ব ২   ত্রিপুরার সাথে ইসলাম এবং বাংলাদেশের সহস্র বছরের যোগসূত্রের সন্ধানে!   আসামের বর্তমান পরিস্থিতি!   আসামে ইসলামের আগমন ও এন আর সি ক্রাইসিস।   নবাব নুর উদ্দিন মুহাম্মদ বাকের জং। ইতিহাসে ঠাঁই না পাওয়া বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব!   প্রাক-ইসলামিক আরব। ধর্ম, সমাজ ও সংস্কৃতি।   ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষের অবিচ্ছিন্ন জলপথ আবিষ্কার।   আফ্রিকার বুকে পর্তুগীজ কলোনি স্থাপনের ইতিহাস।   পূর্ব আফ্রিকায় পর্তুগিজ উপনিবেশ স্থাপন, শোষণ ও ফলাফল   ধর্ষণের আলামত যেভাবে পরীক্ষা করা হয়।   মেটাভার্স   বাংলাদেশের সাথে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চায় তুরস্ক   লিবারেলিজম।   ইউরোপে ইসলাম বিদ্বেষের উত্থান।    পাকিস্তানে ইসলামী দল, তেহরিক-ই-লাব্বাইক নিষিদ্ধের ঘোষণা।   ২০২০ সালের দিল্লি সহিংসতা ছিল একটি সংগঠিত, পরিকল্পিত ‘প্রোগ্রাম’। এবং কেন?   ২০০২ সালের গুজরাট গণহত্যা ও নরেন্দ্র মোদি   রিবা নির্মূল হতে পারে সীরাতের পন্থায়!   ১৯৯১ সালে কাশ্মীরের কুনান ও পোশপোরায় গণধর্ষণ। আজও বিচার হয়নি।   নজরদারি: ‘দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত’   ব্যবসার সঙ্গে অন্য সংস্কৃতিকে যুক্ত করার এজেন্ডা!

৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?

১০ অক্টোবর ২০২৬ ১২:০৭ অপরাহ্ণ

    শেয়ার করুন

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর ইসরায়েল যখন গাজায় গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরু করে, তখন লাখ লাখ ফিলিস্তিনিকে নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়। তাঁদের অনেককেই জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির নির্দেশ দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলে চলে যেতে বলা হয়েছিল।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় অন্তত ৭৪ হাজার ১৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৯ জন।

কেউ কেউ কিছুই সঙ্গে নিতে পারেননি। ঘরবাড়ি, জিনিসপত্র ও স্মৃতি পেছনে ফেলে তাঁদের পালিয়ে যেতে হয়েছে। অন্যরা সঙ্গে নিয়েছেন এমন কিছু, যা ফেলে যেতে তাঁদের মন সায় দেয়নি। কারও সঙ্গে ছিল একটি বই, কারও বাদ্যযন্ত্র, খেলনা, পোষা প্রাণী কিংবা স্মৃতিবিজড়িত কোনো জিনিস।

৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় গাজার মানুষ কী কী সঙ্গে নিয়েছিলেন এবং যুদ্ধের মধ্যে বারবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার পরও কোন জিনিস ও স্মৃতিগুলো তাঁদের সঙ্গী হয়ে আছে, তা জানতে আমরা তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছি।

ওমর হামাদ সঙ্গে নিয়েছিলেন তাঁর বইগুলো
গাজার উত্তরাঞ্চলের বেইত হানুনে বসবাসকারী ৩০ বছর বয়সী ওমর আবদেল হাকিম হামাদ যখন মধ্যরাতের দিকে বাস্তুচ্যুত হওয়ার নির্দেশ পান, তখন চারদিকে চলছিল তীব্র বোমাবর্ষণ। তা সত্ত্বেও তিনি আরও কিছুক্ষণ সেখানে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর আশঙ্কা ছিল, হয়তো আর কখনো নিজের বাড়িতে ফিরে আসতে পারবেন না। তাই বাড়ি থেকে যতটা সম্ভব জিনিসপত্র সংগ্রহ করতে চেয়েছিলেন। সবার আগে তাঁর মাথায় আসে নিজের ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারের কথা। সেখানে প্রায় ৫০০টি বই ছিল।

তিনি প্রায় ২০০টি বই সঙ্গে নিতে পেরেছিলেন। এর মধ্যে পুরোনো ও দুর্লভ বইগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন, কারণ তাঁর মনে হয়েছিল, এসব বই হারিয়ে গেলে আর কখনো সংগ্রহ করা সম্ভব হবে না।

২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর বেইত হানুন ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে ওমরকে ১৩ বার বাস্তুচ্যুত হতে হয়েছে। প্রথমে তিনি গাজা শহরে যান। পরে দক্ষিণে মাগাজি শরণার্থী শিবিরে চলে যান, যেখানে এখনো তিনি বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন।

ওমরের কাছে বইগুলো কেবল কিছু সম্পদ নয়। তিনি বলেন, “এগুলো আমার পরিচয়েরই অংশ।” ১৫ বছর বয়সে কীভাবে তাঁর বই পড়ার প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়েছিল, সে কথাও তিনি স্মরণ করেন।

তাঁর সঙ্গে নিয়ে যাওয়া বইগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত কালিলা ওয়া দিমনা গ্রন্থের একটি সংস্করণ।

যুদ্ধের দীর্ঘ সময়জুড়ে গাজায় দুর্ভিক্ষসদৃশ পরিস্থিতি বিরাজ করেছিল। সেই সময় তিনি এমনকি পুরো গ্রন্থাগারটি দিয়ে এক বা দুই কেজি আটা সংগ্রহ করার কথাও ভেবেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত নিজের অধিকাংশ বই ধরে রাখতে পেরেছেন বলে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বর্তমানে গাজা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত তাঁর ‘ফিনিক্স গ্রন্থাগার’-এ প্রায় ৭ হাজার বই রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩ হাজার বই যুদ্ধের সময় ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিভিন্ন গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ৪ হাজার বই কেনা হয়েছে।

শাহদ আবু খোসা সঙ্গে নিয়েছিলেন তাঁর কুকুর
৩০ বছর বয়সী শাহদ আবু খোসা ২০২৩ সালের ১৬ অক্টোবর গাজার আল-জালা এলাকার বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় নিজের দুই কুকুর লিলি ও ববিকে সঙ্গে নিয়েছিলেন। বাস্তুচ্যুতির কারণে তাঁকে আল-শিফা হাসপাতাল থেকে গাজা শহরের দক্ষিণে তাল আল-হাওয়া এলাকায় যেতে হয়। এরপর তাঁরা একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং শেষ পর্যন্ত একটি স্কুলে স্থাপিত আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান।

এই দীর্ঘ ও কঠিন যাত্রা দুই কুকুরের জন্যই কষ্টকর ছিল। বিশেষ করে লিলি বোমাবর্ষণের শব্দে খুব ভয় পেত। গোলাবর্ষণ শুরু হলেই সে লুকিয়ে পড়ত। অন্যদিকে, খাবারের অভাবে ববি অনাহারে মারা যায়।

শাহদ বলেন, “লিলিকে পেছনে ফেলে যাওয়ার কথা আমি কখনো ভাবিনি।” তিনি লিলিকে পরিবারেরই একজন সদস্য মনে করেন।

দুর্ভিক্ষের সময় লিলি পরিবারের সদস্যরা যা খেতেন, তা খেয়েই বেঁচে ছিল। তাদের খাবারের মধ্যে ছিল ডাল ও রুটি। পরিবারের কাছে অল্প যে খাবারটুকু থাকত, শাহদ তা থেকেও লিলির জন্য ভাগ করে দিতেন।

শাহদ জানান, একসময় তিনি কুকুরকে ভয় পেতেন। কিন্তু তাঁর বোন মিসর থেকে লিলি ও ববিকে নিয়ে আসার পর সেই ভয় কেটে যায়।

লিলির সঙ্গে তাঁর বিশেষ ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। কুকুরটি বেশির ভাগ সময় শাহদের সঙ্গে থাকত এবং তাঁর খাবারও ভাগ করে খেত। শাহদ লিলিকে বিশ্বস্ত ও কোমল স্বভাবের বলে বর্ণনা করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শাহদ বিপদের মধ্যে পড়লে লিলি তা বুঝতে পারত এবং তাঁকে রক্ষা করার চেষ্টা করত।

শাহদ আশা করেন, গাজার সব পোষা প্রাণী যেন এমন একটি নিরাপদ জায়গা খুঁজে পায়, যেখানে তারা খাবার, পানি ও ঘুমানোর জায়গা পাবে। তিনি চান, প্রাণীগুলো যেন “ভয় ও ক্ষতি থেকে দূরে থাকতে পারে এবং তাদের যেন ঘর থেকে বের করে দেওয়া না হয়”।

ইয়াসিন আল-কুবত সঙ্গে নিয়েছিলেন তাঁর উড বাদ্যযন্ত্র
১৬ বছর বয়সী ইয়াসিন আল-কুবত ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর বেইত লাহিয়া থেকে বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় নিজের উড বাদ্যযন্ত্রটি সঙ্গে নিয়েছিলেন। তাঁর পরিবার মধ্য গাজার আজ-জাওয়াইদা এলাকায় চলে যায়। পরে তাঁদের বাড়িতে বোমা হামলা হলে বাদ্যযন্ত্রটি ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে।

ইয়াসিন ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে বাদ্যযন্ত্রটির মালিক ছিলেন। প্রতিবেশী এক উডবাদকের সহায়তায় তিনি এটি বাজানো শিখেছিলেন।

পরে তিনি ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বাদ্যযন্ত্রটি উদ্ধার করতে সক্ষম হন। সেটি হাতে তুলে নিয়ে আবারও বাজানো শুরু করেন।

ইয়াসিনের কাছে বাদ্যযন্ত্র বাজানো কেবল সংগীতচর্চা নয়, বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে থাকা শিশুদের সান্ত্বনা দেওয়ারও একটি উপায়। ইসরায়েলি ড্রোনের শব্দে শিশুরা ভয় পেয়ে গেলে তিনি উড বাজিয়ে তাদের কয়েক মুহূর্তের জন্য হলেও শান্ত রাখার চেষ্টা করেন।

তাঁর স্বপ্ন, গাজা ছেড়ে বাইরে গিয়ে সংগীত নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন, বড় বড় মঞ্চে বাদ্যযন্ত্র বাজাবেন এবং একসময় একটি পেশাদার মানের উড কিনবেন, যা তাঁকে নিজের দক্ষতা আরও উন্নত করতে সাহায্য করবে। আপাতত তিনি নিজের বাদ্যযন্ত্রটির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছেন। ইয়াসিন বলেন, “আমাদের এখনো দেওয়ার মতো সুন্দর কিছু আছে।”

হুদা হেলাসা সঙ্গে নিয়েছিলেন স্বাক্ষর করা একটি টি-শার্ট
২০ বছর বয়সী হুদা হেলাসা যুদ্ধের প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গাজা শহরের দক্ষিণাঞ্চলীয় তাল আল-হাওয়ায় নিজের বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় একটি স্বাক্ষর করা টি-শার্ট সঙ্গে নিয়েছিলেন।

টি-শার্টটি ছিল ‘অ্যাকসেস মাইক্রোস্কলারশিপ কর্মসূচির’। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণদের ইংরেজি ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হয়। ২০২৩ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, কর্মসূচির শেষ ক্লাসের দিন, তাঁর সহপাঠীরা টি-শার্টটিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। এর দুই বছর পর ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি স্নাতক সম্পন্ন করেন।

হুদা বলেন, “যুদ্ধের প্রথম দিন যখন আমরা বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যাই, তখন যে জিনিসগুলোর কথা প্রথমে আমার মাথায় এসেছিল, টি-শার্টটি ছিল তার মধ্যে অন্যতম।”

তিনি প্রায় স্বতঃস্ফূর্তভাবেই টি-শার্টটি নিজের ব্যাগে রেখে দিয়েছিলেন। তাঁর জীবনের এমন একটি সময়ের স্মৃতি আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন, যে অধ্যায়টি মাত্র কয়েক দিন আগেই শেষ হয়েছিল।

হুদা ও তাঁর পরিবার প্রথমে গাজা শহরে তাঁর নানির বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে তাঁদের দক্ষিণে বাস্তুচ্যুত হতে হয়। পথের কিছু অংশ তাঁরা হেঁটে অতিক্রম করেন এবং শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরে পৌঁছান।

২০২৪ সালের মে মাসে তাঁদের আবারও বাস্তুচ্যুত হতে হয়। এবার তাঁরা খান ইউনিসে চলে যান। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে গাজায় ফিরে এসে তাঁরা দেখতে পান, তাঁদের বাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

হুদা বলেন, “সেখানে আমাদের আগের জীবনের কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। কোনো জিনিসপত্র নেই, কোনো ছবি নেই, আঁকড়ে ধরার মতো কোনো স্মৃতিও নেই। ছিল শুধু পুড়ে কালো হয়ে যাওয়া দেয়ালগুলো।”

২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে তাঁদের আবারও বাস্তুচ্যুত হতে হয়। তাঁরা প্রথমে রিমাল এবং পরে তাল আল-হাওয়ায় চলে যান। এরপর সেপ্টেম্বরে আজ-জাওয়াইদায় যান এবং অক্টোবরে আবার গাজায় ফিরে আসেন। বর্তমানে তাঁরা তাল আল-হাওয়ায় অবস্থান করছেন।

হুদার কাছে টি-শার্টটি এখনো যুদ্ধের আগের জীবনের সঙ্গে তাঁর সংযোগ ধরে রেখেছে। সেটি তাঁকে এমন এক সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়, যখন তিনি পড়াশোনা করতেন, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতেন এবং এমন নানা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন, যা তাঁর জীবন ও ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

মাহমুদ হুসেইন সঙ্গে নিয়েছিল তার খেলনাগুলো
আট বছর বয়সী মাহমুদ হুসেইন যখন পরিবারের সঙ্গে গাজা শহরের বাড়ি ছেড়ে মধ্য গাজার নুসেইরাতে যেতে বাধ্য হয়, তখন সে নিজের খেলনার ব্যাগটি সঙ্গে নেওয়ার জন্য জেদ ধরে।

তার মা জানান, পরিবারটিকে প্রায় সাতবার বাস্তুচ্যুত হতে হয়েছে। প্রতিবারই মাহমুদ খেলনাগুলো ছাড়া কোথাও যেতে রাজি হতো না। এমনকি মা যখন তাকে খেলনাগুলো রেখে যাওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করতেন, তখনও সে সেগুলো সঙ্গে নেওয়ার ব্যাপারে অনড় থাকত।

যুদ্ধবিরতির এক পর্যায়ে পরিবারটি বাড়িতে ফিরে আসে। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পায়, বাড়ির একটি অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। মাহমুদের ঘরটিও ধ্বংস হয়েছিল। তার বিছানা, কাপড় রাখার আলমারি এবং বেশির ভাগ খেলনা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।

তার মা বলেন, “নিজের ঘরের সঙ্গে যা ঘটেছে, তা তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।” মাহমুদ এখনো হারিয়ে যাওয়া খেলনাগুলোর কথা এবং একসময় তার নিজের যে ঘর ছিল, সেটির কথা মনে করে।

মাহমুদের একটি স্নায়বিক সমস্যা রয়েছে, যার কারণে তার মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ ঘটে। সে দুই বছর ধরে প্রতিদিন ওষুধ সেবন করছিল। যুদ্ধ শুরুর দুই দিন আগে সে চিকিৎসা বন্ধ করে দেয়। তার নতুন চিকিৎসা শুরু করার কথা ছিল, কিন্তু যুদ্ধের কারণে সেই চিকিৎসা ব্যাহত হয়। এ ছাড়া তার প্রতি মাসে স্নায়বিক পরীক্ষা করানো প্রয়োজন, যা বর্তমানে গাজায় পাওয়া যাচ্ছে না।

তার মা বলেন, যুদ্ধের সময় মাহমুদের খেলনাগুলো তার জন্য একটি “নিরাপদ আশ্রয়ে” পরিণত হয়েছিল। ভয়, মানসিক চাপ ও দুঃখ তার খিঁচুনি শুরু হওয়ার কারণ হতে পারে। তাই খেলনাগুলো নিয়ে খেলা এবং সেগুলোকে ঘিরে নানা গল্প তৈরি করা তাকে যুদ্ধের ভয়াবহ পরিবেশ থেকে কিছুটা দূরে থাকতে ও শান্ত থাকতে সাহায্য করত।


তারিখ: ৮ অক্টোবর ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: Al Jazeera

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ভেনিসে মুসল্লিদের জুমার নামাজে উসকানি, বন্ধ মসজিদেও হামলার অভিযোগ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো ৯টি দোয়া

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত

the global affairs google play logo the global affairs apple logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ হোসাইন আহমদ

ঠিকানা: বি এ এস বি কমপ্লেক্স, ক্বারীপাড়া, আখালিয়া, সিলেট-৩১০০, বাংলাদেশ।

+8801932-188582

globalaffairsbrand@gmail.com, info@theglobalaffairs.info