সর্বশেষ
  উইঘুর মুসলিমদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় হুমকিতে ফেলছে চীনের নতুন আইন   ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করো    যুক্তরাজ্যে তাবলিগের ইজতেমায় হামলার আশঙ্কায় ডজনখানেক সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার   গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা; আহত ৬   গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত ইসরায়েলের   বিভাজনের নীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিরোধের পথেই অবিচল গাজাবাসী   যুক্তরাজ্যে ইমামের বাড়িতে পেট্রোলবোমা হামলা, মসজিদের বাইরে উদ্ধার সন্দেহজনক বস্তু   পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?   মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক   বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল   ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই   গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী   পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা   গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ   প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম   আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক   সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান   "সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা   বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ   দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির   হালাল এওয়ারনেস নেটওয়ার্কের উদ্যেগে রোড ট্রিপ ও নিউক্যাসলে দিনব্যাপী হালাল স্ট্রিট ক্যাম্পেইন সমাপ্ত    গাজায় গণহত্যার নতুন কৌশল: নিভৃতে চলছে নিধন   আল-আকসা দখল হলে আমাদের করণীয় কী ?   ‘বাংলাদেশে দ্বীনের খেদমতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের করণীয়: যুবসমাজ, পরিবার ও ইসলামী পরিচয় রক্ষায় ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত   গাজায় চরম পানি সংকট: আল-মাওয়াসিতে তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখে হাজারো মানুষ   ইসরায়েলের ‘একতরফা মৃত্যুদণ্ড’ নীতি: আট দেশের তীব্র নিন্দা   সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   ফিলিস্তিনি মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা ইসরায়েলের   গাজায় নারীদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম পরিবেশও দিচ্ছে না ইসরায়েল: অ্যামনেস্টি   আল-আকসা মসজিদ কি শিগগিরই বন্ধ হতে যাচ্ছে?   গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে সুদানের দুর্ভিক্ষ: ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে রমজানের আগমন   গাজায় “দ্য ভ্যাপোরাইজড”: এক অনুসন্ধানে এমন ইসরায়েলি অস্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে, যা হাজারো ফিলিস্তিনিকে নিশ্চিহ্ন করেছে   নেতানিয়াহুর বন্ধুর কবজায় টিকটক: অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই   গাজা এখন “আল-মসীহ আদ-দাজ্জাল”-এর শাসনের অধীনে   ইহুদি ধর্মগ্রন্থ, জায়নবাদ ও মুসলিমদের জন্য সচেতন পাঠ: ইতিহাস, আদর্শ ও বাস্তবতার মুখোমুখি   ইজরায়েলি সংসদে গাজা বাস্তুচ্যুতি এজেন্ডা: ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিতে নতুন পরিকল্পনার আলোচনা   সিলেট দা’ওয়াহ সেন্টারে নাসীহাহ সেশন: সবার জন্য দ্বীন শিক্ষায় মসজিদ কেন্দ্রিক উদ্যোগের আহ্বান   হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত   যুক্তরাজ্যে বাড়ছে তরুণ মেধাবীদের দেশত্যাগের প্রবণতা   লন্ডনে তা'লিমুল কুরআন মসজিদের ১২তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন   সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে দিনমজুরদের মাঝে দা’ওয়াহ কার্যক্রম ও ফুডপ্যাক বিতরণ সম্পন্ন   ইসলামের চিন্তা ও একদল ভুল মানুষ   হামলা যেদিকে আসে মোকাবিলাও সেদিকে করতে হয়   শায়খে বাঘা রহ.’এর নামে পাকিস্তানে মসজিদ নির্মাণ করছে সিম্পল রিজন চ্যারিটি   কুইন মেরী ইউনিভার্সিটির গবেষণা ‘জেনোসাইড ইন মায়ানমার’   গ্রন্থ পর্যালোচনা: দ্যা রুম হোয়ার ইট হ্যাপেন্ড   গ্রন্থ পর্যালোচনা: ইবনে খালদুনের দ্য মুকাদ্দিমা   সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে সুনামগঞ্জে শীতকালীন ফুড এইড কার্যক্রম সম্পন্ন   সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   ইস্তাম্বুলে হালাল ফুড এক্সপোতে দ্য এসোসিয়েশন অব হালাল রিটেইলারস ইউকের অংশগ্রহণ   লন্ডনে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে 'সেবার মাধ্যমে দাওয়াহ' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   সিম্পল রিজনের সহযোগীতায় বগুড়ায় দাওয়াহ হালাকাহ অনুষ্ঠিত   সিলেটে নববী দাওয়াহ : পদ্ধতি ও শিক্ষা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত   নোয়াখালীতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সিম্পল রিজনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান   লক্ষীপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সিম্পল রিজন চ্যারিটির ত্রাণ বিতরণ   কুরবানি, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিধান। মুফতি শরীফ মোহাম্মদ সাঈদ   লন্ডনে সিম্পল রিজনের অফিস পরিদর্শন করলেন মুফতি সাইফুল ইসলাম   লিডসে শায়েখে বাঘা রহঃ-এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   বার্মিংহামে শায়েখে বাঘা রহঃ জীবন ও কর্ম শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত   লন্ডনের সভায় আলেমরা বি এ এস বি কমপ্লেক্সকে সহযোগিতার আহবান জানালেন।   বই- বশীর আহমদ শায়খে বাঘা রহ.   বায়রাক্তার টিবি২ দীপ্তিমান করছে তুরস্কের ভাগ্য   জার্মানিতে বছরে শতাধিক মসজিদে হামলা; উদ্বিগ্ন মুসলিমরা   বুজুর্গ উমেদ খাঁ। চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধারের মহানায়ক!   ডুরান্ড লাইন! পাক - আফগান দ্বন্দ্বের রেড লাইন!   ত্রিপুরা ও বাংলার ঐতিহাসিক সম্পর্ক | পর্ব ২   ত্রিপুরার সাথে ইসলাম এবং বাংলাদেশের সহস্র বছরের যোগসূত্রের সন্ধানে!   আসামের বর্তমান পরিস্থিতি!   আসামে ইসলামের আগমন ও এন আর সি ক্রাইসিস।   নবাব নুর উদ্দিন মুহাম্মদ বাকের জং। ইতিহাসে ঠাঁই না পাওয়া বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব!   প্রাক-ইসলামিক আরব। ধর্ম, সমাজ ও সংস্কৃতি।   ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষের অবিচ্ছিন্ন জলপথ আবিষ্কার।   আফ্রিকার বুকে পর্তুগীজ কলোনি স্থাপনের ইতিহাস।   পূর্ব আফ্রিকায় পর্তুগিজ উপনিবেশ স্থাপন, শোষণ ও ফলাফল   ধর্ষণের আলামত যেভাবে পরীক্ষা করা হয়।   মেটাভার্স   বাংলাদেশের সাথে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চায় তুরস্ক   লিবারেলিজম।   ইউরোপে ইসলাম বিদ্বেষের উত্থান।    পাকিস্তানে ইসলামী দল, তেহরিক-ই-লাব্বাইক নিষিদ্ধের ঘোষণা।   ২০২০ সালের দিল্লি সহিংসতা ছিল একটি সংগঠিত, পরিকল্পিত ‘প্রোগ্রাম’। এবং কেন?   ২০০২ সালের গুজরাট গণহত্যা ও নরেন্দ্র মোদি   রিবা নির্মূল হতে পারে সীরাতের পন্থায়!   ১৯৯১ সালে কাশ্মীরের কুনান ও পোশপোরায় গণধর্ষণ। আজও বিচার হয়নি।   নজরদারি: ‘দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত’   ব্যবসার সঙ্গে অন্য সংস্কৃতিকে যুক্ত করার এজেন্ডা!

উইঘুর মুসলিমদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় হুমকিতে ফেলছে চীনের নতুন আইন

১৯ জুলাই ২০২৬ ১২:৫১ অপরাহ্ণ

    শেয়ার করুন

চীনের নতুন "জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি উন্নয়ন আইন"কে বেইজিং সম্প্রীতি, স্থিতিশীলতা ও জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠার একটি পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরছে। কিন্তু উইঘুর মুসলিম, তিব্বতি এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জন্য এই আইন আরও অনেক বেশি বিপজ্জনক কিছুর ইঙ্গিত বহন করছে। সমালোচকদের মতে, এটি রাষ্ট্র পরিচালিত আত্মীকরণ নীতিকে আইনি কাঠামোর মাধ্যমে আরও বিস্তৃত করার পথ তৈরি করেছে।

২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া এই আইনের মাধ্যমে বেইজিং যাকে "চীনা জাতির অভিন্ন চেতনা" বলে অভিহিত করছে, তা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আনুষ্ঠানিক আইনি রূপ দেওয়া হয়েছে। সরকারি ভাষায় বিষয়টি জাতীয় ঐক্যের মতো শোনালেও সমালোচকেরা সতর্ক করে বলছেন, বাস্তবে এর ফলে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ভাষা ও ধর্মীয় পরিচয়কে রাষ্ট্র অনুমোদিত একটি অভিন্ন জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য আরও বেশি চাপের মুখে পড়তে হবে।

মুসলমানদের জন্য এই উদ্বেগ বিশেষভাবে গুরুতর
পূর্ব তুর্কিস্তানের উইঘুর জনগোষ্ঠী, যে অঞ্চলকে চীনা রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে শিনজিয়াং নামে অভিহিত করে, ইতোমধ্যে বছরের পর বছর ধরে ব্যাপক নজরদারি, গণহারে আটকের অভিযোগ, ইসলামি অনুশাসন পালনে বিধিনিষেধ, জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করার অভিযোগ, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নকরণ এবং নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর চাপের মুখোমুখি হয়েছে।

নতুন এই আইন কোনো বিচ্ছিন্ন প্রেক্ষাপটে আসেনি। বরং এটি এমন একটি বিদ্যমান ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে, যেখানে প্রকাশ্য মুসলিম পরিচয়কেই অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

ঐক্য, নাকি জোরপূর্বক একই পরিচয়ে রূপান্তর?
কোনো সমাজই একটি অভিন্ন নাগরিক শৃঙ্খলা ছাড়া টিকে থাকতে পারে না। কিন্তু সেই সমাজে বসবাসকারী মানুষের নিজস্ব পরিচয় মুছে দিয়ে কখনো প্রকৃত ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা যায় না। চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ৫৬টি জাতিগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেয়। কিন্তু নতুন আইনের আওতায় স্কুল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যকেন্দ্রিক একটি অভিন্ন জাতীয় চেতনা প্রচার করতে হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আর এখানেই মূল আশঙ্কা।

আইনটি শুধু বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তুলতে উৎসাহিত করছে না। বরং এটি এমন একটি রাজনৈতিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করছে, যেখানে সংখ্যালঘুদের নিজস্ব পরিচয় ততক্ষণই গ্রহণযোগ্য, যতক্ষণ তা চীনা জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে কমিউনিস্ট পার্টির নির্ধারিত দৃষ্টিভঙ্গির অধীন থাকে।

উইঘুর মুসলমানদের জন্য এর অর্থ হলো, তাদের ইসলামি বিশ্বাস, তুর্কি ভাষা, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক স্মৃতিকে মানুষের স্বাভাবিক মর্যাদা ও পরিচয়ের অংশ হিসেবে না দেখে রাষ্ট্র নির্ধারিত ঐক্যের পথে বাধা হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। এটি সম্প্রীতি নয়। এটি নিয়ন্ত্রণ।

মান্দারিন ভাষা, শিক্ষা এবং সংখ্যালঘু ভাষার ভবিষ্যত
নতুন আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী দিকগুলোর একটি হলো মান্দারিন ভাষায় শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া। চীনজুড়ে দীর্ঘদিন ধরেই মান্দারিন ভাষার ব্যবহার উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা, নতুন আইনি কাঠামো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষার অবস্থান আরও দুর্বল করে দেবে।

ভাষা কোনো তুচ্ছ বিষয় নয়। একটি ভাষা মানুষের স্মৃতি, ধর্ম, পারিবারিক সম্পর্ক, কবিতা, আইন, ইতিহাস এবং সামষ্টিক পরিচয় বহন করে। যখন কোনো রাষ্ট্র শিক্ষাব্যবস্থা থেকে সংখ্যালঘুদের ভাষাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, তখন সেটি শুধু শিশুদের কথা বলার ভাষাই পরিবর্তন করে না। বরং তারা নিজেদের পরিচয় ও ইতিহাসকে কীভাবে স্মরণ করবে, সেটিও বদলে দেয়।

উইঘুর মুসলিম শিশুদের ক্ষেত্রে উদ্বেগটি খুবই স্পষ্ট। যদি ধর্মীয় পরিসরে ইসলামি পরিচয় পালনে বিধিনিষেধ থাকে, স্কুলে উইঘুর ভাষার অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পারিবারিক সংস্কৃতি রাষ্ট্রের নজরদারির আওতায় চলে আসে, তাহলে আত্মীকরণের এই প্রক্রিয়া এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়বে। লক্ষ্য তখন শুধু বর্তমান প্রজন্মের প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ন্ত্রণ করা নয়। বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিশুদের পরিচয়কেও নতুনভাবে গড়ে তোলা।

ধর্মকে চীনা রাষ্ট্রব্যবস্থার আদলে রূপ দেওয়ার নীতি
নতুন আইনটি ধর্মকে চীনা রাষ্ট্রের আদর্শ ও সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলার বেইজিংয়ের দীর্ঘদিনের নীতিকেও আরও শক্তিশালী করেছে। বাস্তবে এর অর্থ হলো, ধর্মীয় জনগোষ্ঠীগুলোর বিশ্বাস, প্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় অনুশীলনকে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে পরিচালনার প্রত্যাশা করা হয়। মুসলমানদের জন্য এটি নিছক প্রশাসনিক কোনো বিষয় নয়। ইসলাম আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের শিক্ষা দেয়, কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শের কাছে নয়।

একজন মুসলমান শান্তিপূর্ণ নাগরিক হতে পারেন, দেশের আইন মেনে চলতে পারেন, সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন এবং সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারেন। কিন্তু কোনো রাষ্ট্রেরই দলীয় মতাদর্শ অনুযায়ী ইসলামকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার অধিকার নেই। ধর্মকে রাষ্ট্রের আদর্শ অনুযায়ী রূপ দেওয়ার নীতির বিপদ হলো, এটি শুধু ধর্মীয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং ধর্মের মৌলিক অর্থ ও স্বরূপকেই নতুনভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে।

রাষ্ট্র যখন স্বাধীন ধর্মীয় পরিচয়কে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে, তখন মসজিদ, ইসলামি শিক্ষা, রোজা, নামাজ, ধর্মীয় পোশাক, হালাল খাদ্যব্যবস্থা এবং ধর্মীয় নেতৃত্ব সবকিছুই চাপ ও বিধিনিষেধের মুখে পড়তে পারে। ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে এটি আমানতের সরাসরি লঙ্ঘন। আল্লাহ মানুষকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং দ্বীন সংরক্ষণের যে দায়িত্ব দিয়েছেন, সেই আমানতের পরিপন্থী এমন ব্যবস্থা।

উইঘুর মুসলমান এবং পরিচয়কে অপরাধ হিসেবে দেখার প্রবণতা
উইঘুরদের অভিজ্ঞতা দেখায়, কীভাবে নিরাপত্তা ও ঐক্যের ভাষা ব্যবহার করে দমনমূলক কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়া হতে পারে। বছরের পর বছর ধরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, গবেষক এবং উইঘুর অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো অভিযোগ করে আসছে যে চীন ব্যাপক নজরদারি, নির্বিচার আটক, রাজনৈতিক মতাদর্শে দীক্ষিত করার প্রচেষ্টা, ইসলামি অনুশাসনে বিধিনিষেধ এবং জোরপূর্বক শ্রমব্যবস্থার মাধ্যমে উইঘুর মুসলমানদের লক্ষ্যবস্তু করেছে।

বেইজিং এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। চীনা কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের নীতির উদ্দেশ্য হলো উগ্রবাদ মোকাবিলা করা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। কিন্তু সমস্যাটি হলো, উইঘুর মুসলমানদের স্বাভাবিক জীবনযাপনের বিভিন্ন প্রকাশকেও অনেক ক্ষেত্রে সন্দেহের চোখে দেখা হয়েছে।

ধর্মীয় অনুশাসন পালন, নিজস্ব ভাষা সংরক্ষণ, পারিবারিক সম্পর্ক বজায় রাখা, ভ্রমণ, ইসলামি শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক স্মৃতি রক্ষার মতো বিষয়কেও বিচ্ছিন্নতাবাদ, উগ্রবাদ কিংবা রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যহীনতার লক্ষণ হিসেবে উপস্থাপন করা হতে পারে। নতুন আইনটি এই চাপকে জাতীয় আইনি কাঠামোর মধ্যে স্থায়ী রূপ দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে। যখন একটি জনগোষ্ঠীর পরিচয়ই সন্দেহের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেই পরিচয় সংরক্ষণের প্রতিটি প্রচেষ্টাই প্রতিরোধের রূপ নেয়।

তিব্বতি জনগোষ্ঠী এবং ধর্মীয় পরিচয়ের ওপর বিস্তৃত চাপ
উইঘুর মুসলমানদের পরিস্থিতি এই আলোচনার কেন্দ্রে থাকলেও নতুন আইনটি তিব্বতি বৌদ্ধ এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জন্যও গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। তিব্বতিদের জন্য বিষয়টি তাদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অস্তিত্ব রক্ষার সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে চীনা রাষ্ট্র তিব্বতের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাব্যবস্থা এবং ধর্মীয় নেতৃত্বের উত্তরাধিকার নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে আসছে। নতুন আইনটি এমন একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ও আদর্শিক পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করছে, যেখানে তিব্বতি পরিচয়কে রাষ্ট্র অনুমোদিত জাতীয় কাঠামোর মধ্যে আত্মস্থ হতে হবে।

বিভিন্ন প্রতিবেদন ও মানবাধিকার সংস্থা রাষ্ট্র পরিচালিত আবাসিক বিদ্যালয়ের মাধ্যমে তিব্বতি শিশুদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকেও রাষ্ট্র অনুমোদিত সীমারেখার মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে।
এখানেও একই প্রবণতা দেখা যায়। সংখ্যালঘুদের নিজস্ব পরিচয় ততক্ষণই সহ্য করা হয়, যতক্ষণ সেটিকে রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে রাষ্ট্রের নির্ধারিত কাঠামোর মধ্যে রাখা যায়।

দেশের বাইরেও আইনের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ
নতুন আইনের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিকগুলোর একটি হলো দেশের বাইরেও এর সম্ভাব্য প্রয়োগ। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের বাইরে অবস্থানরত কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে জাতিগত ঐক্য ক্ষুণ্ন করা কিংবা বিচ্ছিন্নতাবাদে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগ উঠলে এই আইনের আওতায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

বেইজিংয়ের দাবি, এ ধরনের পদক্ষেপ আইনসম্মত ও প্রয়োজনীয় এবং চীনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু প্রবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য এর বার্তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। উইঘুর, তিব্বতি, হংকংয়ের অধিকারকর্মী, গবেষক, সাংবাদিক এবং মানবাধিকারকর্মীরা আশঙ্কা করতে পারেন যে চীনা নীতির সমালোচনাকেও জাতিগত ঐক্যের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।

এর ফলে দেশের সীমানার বাইরে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ওপরও দমনমূলক চাপ প্রয়োগের একটি আইনি ভিত্তি তৈরি হতে পারে। অন্তত যারা ইতোমধ্যে রাষ্ট্রীয় চাপ থেকে বাঁচতে দেশ ছেড়েছেন, তাদের ভয় দেখানো বা চাপের মধ্যে রাখার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

প্রবাসে থাকা মুসলমানদের জন্য, বিশেষ করে উইঘুরদের ক্ষেত্রে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজ জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগের কথা প্রকাশ্যে তুলে ধরা এবং দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্রীয় প্রতিশোধ থেকে রক্ষা করার মধ্যে কাউকে বেছে নিতে বাধ্য করা উচিত নয়।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
নতুন আইনটি মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সমালোচনার মুখে পড়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সতর্ক করে বলেছে, এই আইন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে বৃহত্তর জাতীয় পরিচয়ের মধ্যে আত্মীকরণের প্রক্রিয়াকে আরও স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমালোচকদের মতে একটি অভিন্ন জাতীয় পরিচয় প্রতিষ্ঠা এবং মান্দারিন ভাষায় শিক্ষার বাধ্যবাধকতা জোরদারের মাধ্যমে এই আইন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন আইনের দেশের বাইরে প্রয়োগসংক্রান্ত বিধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বেইজিংয়ের দাবি, জাতিগত ঐক্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এমন অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার চীনের রয়েছে। এই দুই বিপরীত অবস্থানের পার্থক্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বেইজিং আইনটিকে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা হিসেবে উপস্থাপন করছে। অন্যদিকে সমালোচকেরা এটিকে সংখ্যালঘুদের নিজস্ব পরিচয় বিলীন করে বৃহত্তর জাতীয় পরিচয়ে আত্মীকরণের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। এই দুই অবস্থানের মধ্যে কোনটি বাস্তবতার কাছাকাছি, তা একটি মৌলিক প্রশ্নের ওপর নির্ভর করে।

সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীগুলোকে কি সমান অধিকারসম্পন্ন স্বতন্ত্র সম্প্রদায় হিসেবে সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে, নাকি তাদের নিজস্ব পরিচয় ত্যাগ করে রাষ্ট্র অনুমোদিত একটি অভিন্ন পরিচয়ের মধ্যে মিশে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে? লেখাটির মতে, উইঘুর মুসলিম, তিব্বতি এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে বিদ্যমান তথ্যপ্রমাণ দ্বিতীয় আশঙ্কাটিকেই জোরালো করে।

মুসলমানদের কেন এ বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত
মুসলিম বিশ্ব এই বিষয়টিকে দূরবর্তী কোনো ভূরাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে উপেক্ষা করতে পারে না। উইঘুররা মুসলিম উম্মাহর অংশ। তাদের সংগ্রাম শুধু জাতিগত পরিচয় কিংবা ভাষা রক্ষার বিষয় নয়। এটি মুসলমানদের নিজস্ব বিশ্বাস সংরক্ষণ, মর্যাদার সঙ্গে সন্তানদের বড় করা এবং নিজেদের পরিচয়ের কারণে অপরাধীর মতো আচরণের শিকার না হয়ে বেঁচে থাকার অধিকারের প্রশ্ন।

ইসলাম শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে প্রত্যাখ্যান করে না। ইসলাম বিশৃঙ্খলা কিংবা জাতিগত সংঘাতেরও আহ্বান জানায় না। কিন্তু শৃঙ্খলার নামে চালানো নিপীড়নকেও ইসলাম গ্রহণ করে না। কুরআনের নীতি এ ক্ষেত্রে স্পষ্ট। রাজনৈতিক ক্ষমতা নীরবতা দাবি করলেও ন্যায়বিচারের নীতি পরিত্যাগ করা যায় না।
যখন কোনো রাষ্ট্র মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার এবং ভাষাকে রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ারে পরিণত করে, তখন সেটি আর শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ নীতির বিষয় থাকে না। এটি মানবিক মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্নে পরিণত হয়।

জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠিত ঐক্য প্রকৃত ঐক্য নয়
চীনের নতুন জাতিগত ঐক্য আইন রাষ্ট্রের ভেতরে আরও গভীর এক অনিশ্চয়তার চিত্র তুলে ধরে। একটি আত্মবিশ্বাসী সরকার কোনো ভাষাকে ভয় পায় না। মানুষের প্রার্থনাকে ভয় পায় না। কোনো জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক স্মৃতিকেও ভয় পায় না। শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সবাইকে জোর করে একই পরিচয়ে রূপান্তর করারও প্রয়োজন হয় না।

প্রকৃত ঐক্য গড়ে ওঠে ন্যায়বিচার, পারস্পরিক আস্থা এবং মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে। আর জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া ঐক্য গড়ে ওঠে চাপ, নজরদারি এবং ভয়ের ওপর।
উইঘুর মুসলিম, তিব্বতি এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জন্য আশঙ্কার বিষয় হলো, নতুন এই আইন তাদের নিজস্ব পরিচয় বিলীন করে দেওয়ার নীতিকে একটি স্থায়ী আইনি কাঠামোতে পরিণত করতে পারে।

আর যখন একটি জনগোষ্ঠীর পরিচয় মুছে দেওয়ার প্রক্রিয়া আইনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়, তখন তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ শুধু রাজনৈতিক বিষয় থাকে না, এটি নৈতিক দায়িত্বের প্রশ্নেও পরিণত হয়। সম্প্রীতির ভাষা শুনে বিশ্বের বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়। যে আইন মানুষের ধর্মবিশ্বাস, ভাষা ও নিজস্ব পরিচয়কে দুর্বল করে, সেই আইন ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে না। বরং তা একটি জনগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করে।

  

১৭ জুলাই ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: SunnahFiles Web

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

উইঘুর মুসলিমদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় হুমকিতে ফেলছে চীনের নতুন আইন

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করো 

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

যুক্তরাজ্যে তাবলিগের ইজতেমায় হামলার আশঙ্কায় ডজনখানেক সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা; আহত ৬

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত ইসরায়েলের

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

বিভাজনের নীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিরোধের পথেই অবিচল গাজাবাসী

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

যুক্তরাজ্যে ইমামের বাড়িতে পেট্রোলবোমা হামলা, মসজিদের বাইরে উদ্ধার সন্দেহজনক বস্তু

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম

the global affairs google play logo the global affairs apple logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ হোসাইন আহমদ

ঠিকানা: বি এ এস বি কমপ্লেক্স, ক্বারীপাড়া, আখালিয়া, সিলেট-৩১০০, বাংলাদেশ।

+8801932-188582

globalaffairsbrand@gmail.com, info@theglobalaffairs.info