দুই বছর আট মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজা উপত্যকা আধুনিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়গুলোর একটি অতিক্রম করছে বলে অনেকেই মনে করেন। অবিরাম বোমাবর্ষণ ও অবরোধের ফলে অঞ্চলটি এখন প্রায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ২২ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, বাস্তুচ্যুতি এবং স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
অসংখ্য পরিবার তাদের ঘরবাড়ি, জীবিকা এবং প্রিয়জন হারিয়েছে। এ পর্যন্ত কয়েক দশ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। খাদ্য, ওষুধ এবং নিরাপদ পানির তীব্র সংকট অব্যাহত রয়েছে। এমনকি দৈনন্দিন পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পানিও অনেক মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
গাজার ৮০ শতাংশেরও বেশি বাড়িঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। অবশিষ্ট যেসব ভবন এখনো দাঁড়িয়ে আছে, সেগুলোর বেশিরভাগই গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। যুদ্ধের চাপ সামলাতে না পেরে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থাও কার্যত ভেঙে পড়েছে। হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্র ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশই শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান এখন বাস্তুচ্যুত মানুষের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যেখানে ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি মানুষ অবস্থান করছে।
অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও একইভাবে অচল হয়ে পড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় কোনো নতুন কাগুজে মুদ্রা প্রবেশ করেনি। ব্যাংকিং সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং হাজার হাজার ব্যাংক হিসাব স্থগিত থাকায় বহু মানুষ নিজেদের জমাকৃত অর্থও তুলতে পারছেন না। নিবন্ধটিতে বলা হয়েছে, এসব পদক্ষেপ গাজার মানুষের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
প্রতিরোধ আন্দোলনের বিরুদ্ধে জনমত তৈরির আহ্বান
এই প্রেক্ষাপটে নিবন্ধটি এমন কিছু আহ্বান নিয়ে আলোচনা করেছে, যেগুলোকে সেখানে "সন্দেহজনক" বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব আহ্বানে ফিলিস্তিনিদের রাস্তায় নেমে প্রতিরোধ আন্দোলনকে জনজীবন থেকে সরিয়ে দেওয়া এবং তাদের অস্ত্র সমর্পণের দাবিতে বিক্ষোভ করার আহ্বান জানানো হয়।
নিবন্ধটির দাবি অনুযায়ী, এসব প্রচারণার নেতৃত্বদানকারী অনেক ব্যক্তি যুদ্ধ শুরুর পরই গাজা ছেড়ে চলে যান। পরবর্তীতে তারা বিভিন্ন গণমাধ্যমভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলেন, যেখানে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর গাজার নিয়ন্ত্রণ অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়ার পক্ষে প্রচারণা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচালিত এসব প্রচারণা উত্তর ও পূর্ব গাজার ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিবৃতির সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হয়। অভিযোগ করা হয়েছে, এসব গোষ্ঠী প্রকাশ্যে প্রতিরোধ আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানায় এবং যারা এ কাজে অংশ নেবে, তাদের আর্থিক, সামরিক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়।
নিবন্ধে উদ্ধৃত সূত্রগুলোর দাবি, বিক্ষোভের এসব আহ্বানের পাশাপাশি নিরাপত্তা স্থাপনা, বেসামরিক স্থাপনা, মসজিদ, আশ্রয়কেন্দ্র এবং প্রতিরোধ আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে সমন্বিত হামলার প্রস্তুতিও চলছিল। আরও অভিযোগ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর পরিকল্পনা ছিল অস্থিরতার সুযোগে সশস্ত্র অনুপ্রবেশ চালিয়ে প্রতীকী সামরিক সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করা।
প্রচারণার পেছনে তিনটি উদ্দেশ্য
নিবন্ধটির মতে, এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে মূলত তিনটি উদ্দেশ্য ছিল।
প্রথম উদ্দেশ্য: অভ্যন্তরীণ বিভাজন সৃষ্টি
প্রথমত, গাজার ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকট নিয়ে মানুষের ক্ষোভকে দখলদার বাহিনীর পরিবর্তে প্রতিরোধ আন্দোলনের বিরুদ্ধে পরিচালিত করে অভ্যন্তরীণ সংঘাত সৃষ্টি করাই ছিল মূল লক্ষ্য। নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, পুরো যুদ্ধজুড়ে গোপন হত্যাকাণ্ড ও অপহরণের মতো বিভিন্ন ঘটনা পরিকল্পিতভাবে প্রতিরোধ আন্দোলনের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, যাতে প্রভাবশালী ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর সঙ্গে প্রতিরোধ আন্দোলনের সংঘাত সৃষ্টি হয়। তবে নিবন্ধের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিরোধ আন্দোলন প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করার পর এসব প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।
দ্বিতীয় উদ্দেশ্য: প্রতিরোধ আন্দোলনকে ব্যস্ত রাখা
দ্বিতীয়ত, নিবন্ধে বলা হয়েছে, ব্যাপক বিক্ষোভ সৃষ্টি করা গেলে প্রতিরোধ আন্দোলনকে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন এবং সদস্যদের পুনর্বিন্যাসের পরিবর্তে অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সম্পদ ও জনবল ব্যয় করতে হতো। নিবন্ধটির দাবি, অব্যাহত বিমান হামলার মধ্যেও গাজার কিছু এলাকায় যে সীমিত স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে, তা সাধারণ মানুষকে দৈনন্দিন জীবনের কিছু অংশ পুনরুদ্ধারের সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা সৃষ্টি করা গেলে সেই স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়ে যেত এবং অত্যন্ত কঠিন নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে কাজ করা প্রতিরোধ আন্দোলনের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতো।
তৃতীয় উদ্দেশ্য: দায় অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া
তৃতীয় উদ্দেশ্য ছিল, গাজার মানবিক বিপর্যয়ের দায় ইসরায়েলের পরিবর্তে প্রতিরোধ আন্দোলনের ওপর চাপিয়ে দেওয়া। নিবন্ধটির দাবি, প্রতিরোধ আন্দোলন অস্ত্র সমর্পণ না করায় গাজার মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে এমন ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়।
নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে গাজায় সংঘটিত ধ্বংসযজ্ঞের দায় অস্বীকার করে আসছে এবং বেসামরিক স্থাপনায় হামলাসহ বিভিন্ন বড় ঘটনার জন্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করার চেষ্টা করেছে। পরবর্তীতে বিভিন্ন সাংবাদিকতা-ভিত্তিক ও আইনি তদন্তে এসব ঘটনার অনেক বর্ণনা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার পর গণমাধ্যমে নতুন প্রচারণা এবং জনসমাবেশের আহ্বানের মাধ্যমে দায় অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে নিবন্ধটিতে দাবি করা হয়েছে।
জনগণের প্রতিক্রিয়া
নিবন্ধটির দাবি অনুযায়ী, এসব প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। এতে বলা হয়েছে, জনগণের সচেতনতা এবং প্রতিরোধ আন্দোলনের ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে গাজার ভেতরে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। প্রতিরোধ আন্দোলনের বিরুদ্ধে আয়োজিত বিক্ষোভে খুবই সীমিত সংখ্যক মানুষ অংশ নেয়। অন্যদিকে, যুদ্ধে নিহত ব্যক্তিদের জানাজা ও দাফন উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকায় প্রতিরোধ আন্দোলনের সমর্থনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, সম্মুখসারির কাছাকাছি এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা অভিযান জোরদার করা হয়, যেখানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অনুপ্রবেশের প্রস্তুতির খবর পাওয়া গিয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। নিবন্ধটির ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিরোধ যোদ্ধারা ইসরায়েলি বিমান সহায়তা থাকা সত্ত্বেও এসব গোষ্ঠীর মুখোমুখি হয় এবং তাদের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির পর পিছু হটতে বাধ্য করে।
এসব নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রতিরোধ আন্দোলন জনসচেতনতামূলক প্রচারণাও চালায়। সেখানে বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলা হয়, গাজার মানবিক দুর্ভোগকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে, অথচ দখলদার বাহিনীর ভূমিকা ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করা হচ্ছে।
উপসংহার
নিবন্ধটির উপসংহারে বলা হয়েছে, প্রতিরোধ আন্দোলনকে দুর্বল করা এবং তাদের প্রতি জনসমর্থন কমিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত প্রচারণা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।
নিবন্ধটির দাবি, অভ্যন্তরীণ বিভাজন সৃষ্টির সব প্রচেষ্টা ফিলিস্তিনি সমাজে স্থায়ী কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। বরং গাজার মানুষ তাদের জাতীয় লক্ষ্য ও সংগ্রামের প্রতি অটল থেকেছে।
চরম দুর্ভোগ, অব্যাহত ধ্বংসযজ্ঞ এবং প্রতিনিয়ত প্রাণহানির মধ্যেও ফিলিস্তিনিরা নিজেদের অধিকার রক্ষার সংকল্প থেকে সরে আসেনি এবং যত ত্যাগই স্বীকার করতে হোক না কেন, সেই অধিকার পরিত্যাগের সব প্রচেষ্টা তারা প্রত্যাখ্যান করে যাচ্ছে বলেই নিবন্ধটি উপসংহারে উল্লেখ করেছে।
তারিখ: ২৯ জুন, ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: Sunnafiles Web
বিভাজনের নীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিরোধের পথেই অবিচল গাজাবাসী
যুক্তরাজ্যে ইমামের বাড়িতে পেট্রোলবোমা হামলা, মসজিদের বাইরে উদ্ধার সন্দেহজনক বস্তু
পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?
মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক
বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল
ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই
গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী
পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা
গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম
আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক
সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান
"সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা
বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ
দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির
বিভাজনের নীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিরোধের পথেই অবিচল গাজাবাসী
যুক্তরাজ্যে ইমামের বাড়িতে পেট্রোলবোমা হামলা, মসজিদের বাইরে উদ্ধার সন্দেহজনক বস্তু
পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?
মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক
বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল
ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই
গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী
পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা
গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম
আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক
সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান
"সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা
বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ
দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির